এম এ ওয়াহিদ
বিশ্বযুদ্ধও পৃথিবীর দোরগোড়ায় এসে হাজির হয়েছে প্রিয়তমা।
আমি বিশ্বযুদ্ধের ডাক উপেক্ষা করার আস্পর্ধা দেখাবো শুধু তোমার ভালোবাসা পেলে।
ব্যালিস্টিক মিসাইল উড়া শহরের বুকে নির্ভয়ে ঘুমাবো পরমানন্দে।
বিশ্বের সব নৌ ও পদাতিক বাহিনীর দিকে কলহাস্য ছুঁড়ে দেবো শুধুমাত্র তোমার ভালোবাসা পেলে।
তোমার ভালোবাসা পেলে ধ্বংসযজ্ঞ যে-কোনো শহরের বুকে আবার বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখতে পারি যখন তখন।
তেহরান থেকে তেল আবিব—
জেরুজালেম থেকে দিল্লি—
সমস্ত উত্তাল জনসমাগম উপেক্ষা করে সিংহাসনগুলোর দখলদারিত্ব করবো প্রিয়তমা।
শুধুমাত্র!
শুধুমাত্র তোমার ভালোবাসা পেলে—
হত্যাযজ্ঞের নৃশংসতা ভুলে আবার বিশ্বব্যাপী শান্তিচুক্তির সাক্ষর করা হবে।
তোমার স্পর্শ পেলে—
বিশ্বের সমস্ত ইউরেনিয়াম,গোলাবারুদ, ড্রোন এবং বিষাক্ত পদার্থগুলি সুগন্ধি পারফিউমে রূপান্তরিত হবে প্রিয়তমা।
শুধু তাই নয়,
ধ্বংসাত্মক গাজা উপত্যকায় আবারো বসন্তের ফুল ফুটে উঠবে প্রিয়তমা।
বিরোধী দলের সেনাপ্রধানরা দলে দলে এসে তোমার চরণে লুটিয়ে পড়বে পরম শ্রদ্ধায়;
এমনকি সমস্ত বোমারু বিমানগুলো ভেসে উঠবে একেকটা রঙিন ঘুড়ির রূপে।
যদি ভালোবাসা দাও প্রিয়তমা
তবে সবকটি মিসাইল জড়ো হবে এসে একটি লজেন্স কাঠিতে!
সবগুলো ধ্বংসাত্মক লৌহইস্পাত এবং বারুদের ছাইগুলো পরিণত হবে ঝলমলে স্বর্নালঙ্কারে।
তামাকের প্যাকেটে লেখা থাকবে তোমরা প্রাণভরে শ্বাস নাও;
শুধুমাত্র তোমার ভালোবাসাটুকু পেয়ে গেলে
পৃথিবীর সব সংকট মুছে গিয়ে আবার
সমস্ত বিশ্বে চিরবসন্ত শুরু হবে।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান