তৌহিদ শাকীল
কে জানে, কোন মায়ায়,
বিদিশায় বিদায় জানিয়ে কোন ঊষা রে,
কোন ইশারায় নিভে যাবে তার শেষ ছায়া?
কোনো এক আদিম শিহরণে, শিরদাঁড়ায় জমে থাকা তুষারে
রক্তের প্রতিটি অণু এখন অসম্ভব টানটান, বিভোর,
যেন ‘বিস্মৃতির সবচেয়ে গাঢ় অংশ
মগজের ফেলে আসা কোনো শূন্য গহ্বর’।
হয়তো তার ভেতর বুনে দেওয়া হবে কোনো সারাংশ,
সহস্র শব্দের তিতীক্ষা, ফুসফুস ফাটা গোঙানির জেদ;
আর নয়তো ঠোঁটে সেলাই করা নোনা নিশ্বাস।
শিকারি কোন দিক থেকে ছোঁ মারবে? কে শত্রু, কে মিত্র,
কোন ছুরি, কোন বারুদ, কোন ধারালো ফিসফাস?
এই গাঢ় নীল বিভ্রমের ভেতরে সেই ভেদ
ঠাহর করা অসম্ভব, হে নগ্ন মানচিত্র।
আচমকাই হয়তো শুনবে কিছু ভাঙা কাচের
অস্ফুট হাহাকার…অদ্ভুত ধাঁচের
হয়তো নিমেষেই ভোল পাল্টে প্রকাণ্ড পাথুরে স্তব্ধতা।
কত সহস্র চাপা দীর্ঘশ্বাস, গুমরে মরা ভয়ে,
আদিমতম আর্তি, বিবিধ বিষণ্ণতা
স্রেফ নিস্পৃহ কিছু জ্যামিতিক রেখা হয়ে
স্থির হয়ে থাকে তারা বিবর্ণ কোনো ক্যানভাসে; কখনও উত্তাপে,
কখনও তা লোকলজ্জায়, কখনও-বা নিয়তির চাপে
ডেড-লক হয়ে আছে কোনো হার্ডড্রাইভের জং-ধরা জঙ্ঘায়।
জিঘাংসায় জমাট বাঁধা এই অন্ধকার রোদ
বিষাক্ত কুয়াশায় ঢেকে দেয় পুরো জনপদ।
আর সেই কুয়াশা ফুঁড়ে অতর্কিতে নামে কোন ঘা-য়
গলিত সিসার মতো কোনো আগ্নেয় বিলাপ, দিনশেষে সন্ধায়।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান