ফরিদুল আজাদ মিলন
দূর্বাহীরক মাড়িয়ে পশমিপা ভেবেছ পার পাবে নৃশংস খোয়াবের কুরক্তনেশা
উল্টে দিয়ে মায়ের আল্তাশিশি কাজলের বাটুয়া যে কাজলে মা হয়েছিল
পটুয়া কপালকিনারে এঁকে কালোচাঁদ, রোদবাটিতে দস্যুবাছা আলো পিয়ে খা—
কৈডুমনি খালে ঢোঁড়াকাদা ঘেঁটে খেলি দিব্যি জলসাপ দুহাতে প্রাণমান
মাটির সোঁদাস্বপ্নে বুনে চিরকাল হয়ে যাই জঙ্লা শস্যদানা বেশুমার তাপগিরণ
লজ্জাবতী লাজপাতায় ভুলনা আড়ালে তার কাঁটার পীড়নে খুনধুম তাজিয়ানাচে।
কাকসময়ে আগুনের গেরুয়াগায়ন ঘুমপাড়ানি মামুখেই শুনি—
আরতিসন্ধ্যার নিদ্রাকুসুমে। ভাতারবাজি গিলেখাবে নিশ্চিত পদ্মার ঘড়িয়াল
গাপুসেগুপুসে— ভুলে যা দুঃস্বপ্ন রাতবিলাপি সিমুলেশন
বঙ্গসাগর এ মাটির গানম্যান দুর্বার আঁসটে ঘ্রাণজ ফসফরাস কাঠি।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান