
নতুন ধারায় আরও একটি কবিতা
ভেতরের মোগল সময়ের
কবরের সারি– চিকন গলার কলস — দুতারা।
খাপছাড়া। মিয়াভাই শোনো,তালাবন্ধ দরোজা। চাবিটা কোথায়?
পোলায় জানে।
মানে সে শরীয়তবাদী
মারফতাদী বুঝেনা এই সব
বৈভব তাহার বহু। গাড়ি হাইকা চলাচল।
সচল আখেরি পথে
ঝলমল।
নির্মল হাসির দর্গাপতিকে আমরা ‘নানা ‘কইতাম।
বলতাম, হাটুঁকালে সিন্নি হবে কবে?
নীরবে কইতো নাতি, এ কার্তিকে।
এদিকে মশায়,কার্তিক যায়,অঘ্রাণ…
প্রাণ নেই রে, এখন দর্গার ভেতর!
অভ্যন্তর অন্ধকার, ইঁদুরের মাটি…
কাটাকাটি। মরছে সকাল একাত্তরে।
ওরে,দর্গাপতি আছিলো অদ্ভুত
নিখুঁত চুলের সাপপ্যাঁচ বিনোনী
আলোরণী শাদা ধুতি
কেরামতি দেখাতেন কিছু। হুনি , দাদীমার কাছে।
পাছে রইছে রইছে আহারে মুচকি হাসি!
মাসি,ও মেয়েটি এখনও দর্গাপতির ফুঁ পড়া
জলঝরা চোখে, হন্য হয়ে কালো পাতিলই খুঁজে
বুঝে,না পাইলে পাবেনা বর!
বরাবর বিনোনী ওয়ালা কইছে তিনটা দিন
গোপনাধীন রেখো
দেখো,কেউ যেন ভেঙে না ফেলে!






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান