
স্বাধীন বাংলাদেশ
নীরব আঁখি পটে বেদনারা হাসে
স্বামী হারানো নতুন বধূ
মেহেদির সাজে-
জেনে যায় বিরহের সুর
যেন এক ক্লান্ত বিবশ চোখে।
কতটা স্মৃতি কাঁদালে
মা কাঁদতে ভুলে যায়;
তবু বিজয় উল্লাসে
পতাকার সাজে নিজেকে সাজায়!
কতটা পথ গেলে পরে
কুঞ্জের দেখা মেলে
যেথায় মালতী ঘরে
প্রিয়ার কবরে আজও ফুল সেজে রয়!
কতটা কান্না এলে পরে
মন মুছে দেয়
পিতা হারানোর শোক।
কতটা অশ্রুতে
জামা ভিজে হয় একাকার
সাথে পাখিরাও কাঁদে!
মৃত লাশ হাতে মম চিৎকারে!
বাতাসেরও মন হুহু করে!
স্বাধীনতা!
তুমি এলে মোর ঘরে-
অবশেষে!
জননী আঁচলে।
যখন পুত্র ক্রোড়ে
আমি বীরাঙ্গনা রূপে
পিতৃহীন এ গৃহপটে।
বিজয় তুমি আমারে করেছে মহান।
দিয়েছো সম্মান।
এক নতুন স্বাধীন দেশ
আমার বাংলাদেশ।
তুমি রাঙিয়েছো মোরে নব সুরে
দিয়েছো গান
মধুর স্মৃতি
যা করুণ লহরী তোলে
মন পাঁজরে কেবলই থেকে থেকে বাজে।
স্বাধীনতা তুমি এক উদাত্ত পৃথিবী।
যা ভুবন কাঁপায়, ছন্দে ভুলায়
মর্ত্যে আনে স্বর্গ স্মৃতি।
আর তীব্র স্বরে জানিয়ে যায়
বাংলাদেশ তুমি আমার দেশ।
তুমি মৃত্তিকা মালতী, আমার জননী।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান