
একটি লাল উল্কি
গণেশ পাইন যে চাঁদটিকে
ছুঁয়ে ছিলেন তুলিতে
সে টি ছিলো আকাশের ও অধিক উচ্চতায়
রমণীর ভ্রুযুগলের মধ্যভাগে
প্রজ্জ্বলিত এক আশ্চর্য প্রদীপ।
পাললিক সভ্যতার নীলখামে
এক ধূসর চিঠি উড়ে এলো যখন
সাঁইজী অন্বেষণে নামলেন মনের মানুষের।
হাত রাখলেন একতারায়
চাইলেন অন্তরাকাশে।
যুগ পরাহত চাঁদ কখনো কোনঠাসা
কখনো নজরবন্দী।
আট কুঠুরি নয় দরোজা বিভ্রান্ত
আয়নামহলে
স্রষ্টা দর্শনে।
আমি লক্ষণ রেখা টেনে দিয়েছি
শিল্পের অবকাঠামোতে,
ভাষার লালিত্যে এবং আবহমান জনপদে।
তবুও অহর্নিশি ঘাসে মৃত্তিকায়
সঞ্চারিত হয় ধূপগন্ধ
গাঙ্গেয় বদ্বীপের ঢাকের আওয়াজ
পৃথিবীর অতল থেকে ধ্বনিত হতে হতে
আকাশের ও অধিক উচ্চতা স্পর্শ করে
ভ্রুযুগলের মধ্যভূমে অংকিত হয়
একটি লাল উল্কি।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান