এক রাতের যাত্রা
শহরের অভিজাত ক্লাবে ঢুকে দেখি
কোন মানুষ নেই,চতুর শেয়ালেরা ঝিমোয় টেবিলে,দিনকে বিক্রি করে যারা রাত্রি সাজায়।ব্যর্থতার গুচ্ছ গুচ্ছ অন্ধকার জমা,
নির্জন,নীরব নির্বাসন।
রাতের হিংস্র চোখে বাতি জ্বলে আর নিভে
জ্যোৎস্নার শিশুরা ভাসে নিয়নের নিচে
রাত্রি গাঢ় হলে,সময় ঠাহর করে রাস্তায় বেরিয়ে দেখি,ভগ্ন দালানের গায়ে হেলান দিয়ে শহরে নেশার ঘোর।পরিত্যক্ত ঘুম,ক্লান্ত কোলাহল,নিস্তেজ পরিবেশ।রাস্তার ওপারে ফুটপাথে শুয়ে থাকা কুকুর,লেজ নেড়ে মশা তাড়ায় আয়েশি
ভঙ্গিতে।চারপাশে মশক সঙ্গীত,থেমে থেমে বাজে কুকুরের বেসুরো আওয়াজ।
ক্লান্ত চোখ ঘষে সামনে এগুতে দেখি,শহরের অভিজাত দোকানের সামনে ভবঘুরে পাগলী এক,উসকো খুসকো চুল,ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছে কার্ডবোর্ডের বিছানায়।তেড়ে আসে ইউনিফর্মের দারোয়ান,দখল-বেদখলের চিরায়ত সংগ্রাম।চোখ ফেরাই কাঁচভাঙ্গা জখমের বুক।উল্টো স্রোতের মানুষ,উল্টোপথেই হাঁটি,অসভ্য ট্রাফিকের লাল চোখ এড়িয়ে।
পথের দূরত্ব মেপে রাত্রির ধূসর জামা পরা
চৌকস পাহারাদার গুণে অনিদ্রার ঢেউ।
বহুপথ ঘুরে বাড়ির দরোজার সামনে দাঁড়াই।সশব্দে কড়া নাড়ি বারবার,দরজা খুলেনা কেউ।ভিতরে কি মা নেই?পাচ্ছিনা কেন সাড়া তবে? যারা ছিলো হাত বাড়িয়ে,টেনে নিতো বুকে,তারা নিখোঁজ! তুমিও কি চলে গেলে তাহাদের দলে!






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান