
নিরাশ্রয়
যেদিন আমার হাত ছাড়িয়ে তুমি চলে গেলে, নিজের এই হাত কী ভীষন ফাঁকা হয়ে গেল! মেলা ফুরোনো মাঠের একলা পড়ে থাকা পেরেকটির মতো ফাঁকা। এই শূন্য করতল আমি কীভাবে রাখব, আমায় বলে দেবে তুমি? এতে লেগে থাকা তোমার হাতের উষ্ণতা একটু একটু করে ফিকে হচ্ছে, আর আমি একটু একটু করে জমাট বরফ।
ঠাঠা আকাশের নীচে ঘন আঁধারে একা রেখে চলে গেলে।দাঁড়িয়ে আছি, তো দাঁড়িয়েই আছি।দিগন্ত কাঁপিয়ে এক তুফান আমায় গ্রাস করল, আমি নিরুচ্চার চিৎকার করলাম, তুমি কোথায়?
তারপর রাত ফুরোলো ।কিন্তু রাত আমার হলো সেদিন থেকে।রাতের খসে পড়া তারা আমার হলো।ফিসফিস করে কথা বলা হাওয়া আমার হলো।রাতের নৈঃশব্দের শেকল সা-বধানে খুলে সন্ন্যাসের পথে বের হওয়া – টুপ করে খসে পড়া পল্লব আমার হলো।ভোরের শিশির আমার হলো।সকালের সূর্য আমার হলো।আনমনা রাস্তা আমার হলো।হাটমাঠ আমার হলো।বোবা বারান্দা আমার হলো।
কিন্তু ঘর আমার হলো না ।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান