বৈরাগ্য

সর্বনাশা বাঁশিটি যে বাজায় ,সে হ্যামিলন নয়,
যশোদা নন্দন কৃষ্ণ কানাইয়া মুরলী মনোহর ।
ডাকে ঐ বাঁশেরই ঠোল যার বুকে অষ্টছিদ্র গোল
দেখি ধ্যানমগ্ন রাত্রির প্রকোষ্ঠে নাচে গোপী হরি
শঙ্খচুড়া মনি,কদমের ডালে রাধা বে-ভুলে
তুলে রাখে চোখের নেকাব! বাঁশির সুরে ফানা
ঘুমহীন সময়ের প্রান্তরে গুম হয়ে যায় চেতনার বীজ
লুণ্ঠিত মূহুর্তে আত্ম- মুরতিতে স্তুতির যপনাম
কদমের ফুলে ফুলে খুঁজে নেয় আপন বৈরাগ্য …

আমি বৈরাগী নই ।খুব সামান্য আটপৌরে জীবন
গোপন খুঁজতে এসে নিজেই হারিয়ে গেছি কামরাঙ্গা বনে !
চুরাশি লক্ষ যোনির ভ্রমণ শেষে ফুলে ফেঁপে ওঠে যৌবন ,
প্যাচ লাগে মূলাধার চক্রে
দ্রোহে পিঙ্গলা লাল হলে মরমে মরমে সুষুম্নাতে নদী হয়ে
বয়ে যায় অনন্তের রথে ; শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি সংসারবিরাগীর
নির্মোহ উচাটন,আমি বৈরাগী নই অতি সাধারণ একজন


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

One response to “শামীম আহমদ”

  1. অসাধারণ সৃষ্টির জন্য কবিকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। কবিতার মাঝে কবির বৈদগ্ধ্যতার পরিচয় মেলে। অসাধারণ মুন্সীয়ানায় ব্রজের রঙে এক নিখুঁত ছবি এঁকেছেন। শব্দের চয়নে পাণ্ডিত্যের ছোঁয়া পাই। আশা করব আগামী দিনেও এমন সুন্দর কবিতা পাব। ভাল থাকবেন সতত কবি মহাশয়।

    মণীষ চক্রবর্তী

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Trending