
অনির্বাণ রূপের কণ্ঠস্বর
পৃথিবীর ত্বকে লেগে থাকা অক্ষরগুলো
নারীমুখর,
অদৃশ্য রেখায় গাঁথা
যেমন সন্ধ্যার আলোয় জোনাকিরা
রচে অস্তিত্বের ব্যকরণ।
মায়ের কোলজুড়ে শস্যের অঙ্কুর
স্ত্রীর চোখে নদীর অবিশ্রাম ধারা
মেয়ের হাতের মুঠোয় ভেসে ওঠে
সময়ের অসমাপ্ত গল্প।
সে তো শুধু জন্মদাতা নয়,
প্রতিটি প্রান্তরে জেগে ওঠা প্রথম কৃষির রূপ
অগ্নিশিখায় লুকিয়ে থাকা নির্মাণের গন্ধ
যে-আলোয় জ্বলে প্রতিটি অন্ধকারের সমাপ্তি।
ভোরের শিশিরে লেখা হয় তার নাম
দুপুরের ছায়ায় বুনে যায় নিঃশব্দ ইশারা
সন্ধ্যা নামলে সে হয়ে ওঠে
অনেক তারার মাঝে একাকী চাঁদ।
পাহাড়ের চূড়ায় তার শ্বাস
সমুদ্রের গভীরে তার চোখের ইশারা
মরুভূমির বালুকণায়
তার পদচিহ্নের অনন্ত গাথা।
নারী
অনালোকিত ক্যানভাসে রঙের প্রার্থনা
অসমাপ্ত কবিতার শেষ পঙক্তি
যেখানে পৃথিবী নিজেকে চিনে
নিজেরই প্রতিচ্ছবিতে।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান