
নারী, নিস্তব্ধ আগুনের শরীর
ভাঙছে দহনের শরীর, সূর্যের তাপ ছুঁয়ে ঝরছে ঘাম
নারীর উদরে এখনো জন্মান্তর স্বপ্ন, তবুও
আঁতুড় ঘরে অন্ধচোখের বন্ধ্যা রাত থমকে থাকে।
হাতুড়ি পাথরে এমন সখ্যতা, জ্বলে আগুন
নারী, বিগত কালের সাক্ষী অনন্তকাল
শোক-ছায়ার অন্ধকারে রক্তখচিত ইতিহাস।
নারী, কখনো রাতজাগা কামহীন মৃতশব
অথবা দরদামে অপুষ্ট রজনীর বৈচিত্র্য
নিঃস্ব বাগানে আফোটা রক্তবর্ণ গোলাপ।
উদভ্রান্ত সেই নারীদের নাভিগর্ভে জ্বলে আগ্নেয়গিরি
প্রাণহীন সমাজে যেন উলঙ্গ মাছের শরীর
ভেজা বাতাস শুঁকে নেয় নিদ্রাহীন সময়.
নিশ্ছিদ্র উনুনের দাহে পুড়ছে অঘুমের স্বপ্ন।
আমি সেই সকল নারীদের কথা বলছি
শ্মশানের ছাই প্রাণ, ধোঁয়ামাখা শিশিরের নদী,
ধাতুর ঝর্ণা, নি:শব্দের অস্তিত্ব যাদের
কেবলই অনাদি অন্ধকারের নির্মম প্রতিচ্ছবি।
তারা কখনো রমণী হতে পারেনি
রমণীরা পুষ্টিতে শরীরত্বকে আলোতে স্নিগ্ধ
তারাও নারী খাটায়,
নারীরা রোদতাপে গ্লানিতে পুড়ে পুড়ে নিঃস্ব
তাদের নিয়ে রচিত হয় শুধুই দ্রোহের আখ্যান।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান