
স্বাধীনতা নামের এক রক্ত কুসুম
বুকে তখন জন্ম নিয়েছে,
‘স্বাধীনতা’ নামের এক রক্ত কুসুম!
ধরার বুক কাঁপিয়ে- দোর্দণ্ড রোষে,
উদয় হল দানবের দল-
আকাশ-বাতাস করে ঝাঁঝরা প্রচণ্ড জুলুম
হলো সূচনা – বিভাজিত করবে হৃদপিণ্ড বাঙালির-
উপড়ে ফেলে করবে নিশ্চিহ্ন সে রক্ত কুসুম!
সেই কুসুমের রেণুতে রেণুতে আপ্লুত,
পাপড়িতে পাপড়িতে জয়গান রণিত-
তোলে আরাধ্য ঝংকার, বাংলা আমার!
রণিত কণ্ঠস্বর আকাশে বাতাসে তরঙ্গিত
পদ্মা-যমুনায় উচ্ছলি উঠে হয়ে সম্মোহিত।
দিক্বিদিক বিদারী- রেশ তার সর্বত্র বিস্তারিত,
স্বাধীনতার প্রেরণায় তেজস্বী চিৎকার।
ঝাঁপিয়ে পড়ে দানবের অস্ত্র-
লক্ষ বারুদের ফুলকিতে-
নির্মম আঘাত রুধিতে,
সেদিনের শপথ- মায়ের বক্ষের অস্থি প্রতিরক্ষার।
দানবের জিঘাংসা পদতলে দলে,
নিশ্চিহ্ন করার অঙ্গীকার।
নিজস্ব ভূমিতে প্রস্ফুটিত করতেই হবে,
সে রক্ত কুসুম উৎসর্গ করে প্রাণ!
রক্ষার শপথ – দেশ মাতার সম্মান,
প্রাণের বুলি বাংলার মধুরতার
আর শক্তি উৎসের আধার।
সেদিন করেছিল প্রতিজ্ঞা সন্তানেরা-
নির্ভীক অন্তরে বিজয়ের আকাঙ্ক্ষায়
পদতল ছুঁয়ে, মায়ের অস্তিত্ব চিহ্নিত করবেই
মানচিত্রে। স্বাধীনতা নামের রক্ত কুসুম ভূমিষ্ঠ হবেই,
এ অমোঘ সত্য ছিল চিরদিনের!
(স্বাধীনতা দিবসে সব বীর ও শহীদের আমার বিনম্র শ্রদ্ধা)






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান