
স্বাধীনচেতা
পিছিয়ে যাবো? কেনই বা ছিঁড়ে ফেলবো দিগন্তের আহ্বান?
আমার তো অচঞ্চল প্রাণ!
জানি আমি, সামনে এগোলেই মিলবে সেই কাঙ্ক্ষিত হিত,
যে আলোর সন্ধানে ছুটেছি দুরন্ত স্রোতের বিপরীত,
দগ্ধ পায়ের ছাপ রেখে কাঁপিয়ে এসেছি রুক্ষ প্রান্তরের ভিত।
শূন্যতার নিঃশ্বাসে ভিজিয়ে দেবো প্রাণ? হেরে যাবো কোন বা ধোঁকায়?
কোন ত্রাসে বলো আমার হৃদয় শুকায়?
কেন তবে দাঁড়াবো বলো দ্বিধার গুহায়?
আমি তো দেখেছি স্বপ্নের অগ্নিমন্ত্র লেখা দেয়াল,
আমাকে থামায় কোন আজব খেয়াল?
আমি নই সেইসব পূর্বসূরির মতো স্থাণু,
যারা থেমে গিয়েছিল মাঝপথে, ফিরেছিলো নতজানু।
ওরা থেমে গিয়েছিল জেনে ও না জেনে,
নিঃশেষিত স্বপ্নের ভারে ভগ্নরথ টেনে।
কিন্তু আমি? আমি তো পথ জানি,
আমি তো ফিরে যাবো না বুকে নিয়ে অপূর্ণতার গ্লানি।
আমার প্রতিটি ধূলিকণা পুড়ছে প্রতিজ্ঞার আগুনে।
আমি তো দেখেছি ওদের, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ফাগুনে—
আমি তো নিয়েছি শপথ—বায়ান্নর দৃঢ়ভাষ সব্যসাচীর,
যদি না দরজা খোলে, তবে আমি উড়িয়ে দেবো সব রুদ্ধ প্রাচীর।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান