শহরের জনজোসনায়
আমাদের ভালোবাসা জেগে থাকে উড়ন্ত পাখির ডানায়
বৃষ্টি নামে।পাতাগুলো জলে ভেসে যায়, ভাসে মানুষের চোখ
যে চোখ দিয়ে মানুষ পৃথিবীকে দেখে,
অথবা কাঁদে,অন্যের ক্রন্দনের সহযোগী হয়।
কবিতা জন্ম নেয়,সারি সারি দ্রোহের ভেতর। যারা বৃক্ষের
সারি দেখে এর ছায়াতলে-
দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের প্রতিবিম্ব খুঁজে
তারা জানে সাহসের অন্য নাম কবিতা,
ত্যাগের অন্য নাম বেঁচে থাকার সংগ্রাম।আর কবি
মূলত তার জীবন উৎসর্গ করে যান,
মানুষের জন্যে। কবিতার জন্যে।
এই যে শরতসন্ধ্যায় দাঁড়িয়ে আমরা কবিতা পড়ি
এই যে জনজোসনায় ভেসে যাওয়ার প্রত্যয়ে আমরা
খুঁজি কবির পদরেখা-
এর প্রতিটি অর্ঘ্যই মিশে থাকে অনেকগুলো সুবর্ণ সুন্দরে;
ঢেউ থাকবে, নদী থাকবে না
ছায়া থাকবে, তীর থাকবে না
ঘননীল থাকবে, গহীন থাকবে না
এমন কোনো নিশ্চয়তাই আমরা দিতে পারি না আর!
তারপরও মাটি ধারণ করে আমাদের প্রীতি ও পরিচয়
শহর জানে, জানে গ্রাম- পথের ধুলো,
সবাই জানে, যে কবিতাটি লিখে রাখার পর
নিশ্বাসের প্রতিটি উপমায় কবি উড়িয়ে দিয়েছিলেন
ভালোবাসার পাপড়ি,
মানুষ তাতেই খুঁজবে পরাগের জন্মবৃত্তান্ত
একটি বাগান হয়েই পৃথিবী থাকবে, পরিণয় থাকবে।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান