বিস্মৃতির ছায়ায় বঙ্গবন্ধু
কত রক্তে লেখা হয়েছিল একটি নাম,
কত কান্নায় ভিজেছিল স্বাধীনতার ভোর।
আজ সেই নামের মূর্তি ভাঙে কিছু হাত,
অচেনা মুখের পশুত্বে হাসে ইতিহাসের অন্ধকার।
কবি হৃদয় কেঁপে ওঠে—
মানুষ কি এভাবে ভুলে যেতে পারে?
যে কণ্ঠে জন্ম নিয়েছিল মুক্তির ডাক,
যে বুকের স্পন্দনে জেগে উঠেছিল বাংলাদেশ,
আজ সেই কণ্ঠকে গালি দেয় কারা?
এ কি ইতিহাসের ক্লান্তি?
নাকি কৃতঘ্নতার কালো ঝড়?
পদ্মা-মেঘনা শুনছে কি এই অপমানের শব্দ?
মাটির তলায় ঘুমিয়ে থাকা শহিদেরা
কি শিউরে ওঠে রক্তের ক্ষোভে?
কবি চোখে ভেসে ওঠে সাতই মার্চের বজ্রনাদ,
হাজারো মানুষের বুকের স্পন্দন,
এক হাত তুলে ধরা আগুনের মতো অঙ্গীকার।
আজ সেই হাতের ছায়ায়
কেউ ফেলে দেয় অপমানের ছুরি।
তবু জানে কবি—
ইতিহাসের নদী থামে না।
ভাঙা মূর্তির ধুলোর তলায়ও
মুজিবের নাম জ্বলে থাকে অম্লান।
কারণ যে রক্তে জন্ম নিয়েছিল এই দেশ,
সে রক্তকে মুছে দিতে পারে না
কোনও অন্ধকার উল্লাস।
[সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল সম্পাদিত আগামী মাসে প্রকাশিতব্য ‘ভারতীয় বাঙালি কবিদের কবিতায় বঙ্গবন্ধু’ সংকলন থেকে।]






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান