সমর্পিত
সময়, ঘণ্টার ঘরে নতজানু হলে দৃষ্টির কাছাকাছি টেনে নিও সুখ-রচনা-সমগ্র…
সম্পর্কের খোলা খামে যে পত্র হারিয়ে যায় লোকারণ্যে, মানবিক ডাক টিকেট লাগিয়ে সমর্পিত করেছিলাম কবিতার চরণে। শব্দ পাড়া’র দোরে পিছুটান ভুলে লেখা থাকে শূণ্যতার পতন সমূহ, থাকে নন্দন তত্বের বসতবাড়ি। গভীর রাতের কিয়দংশ উৎসর্গ করি নক্ষত্র মেলায়.. অনেক বেলা পেরিয়ে ইচ্ছেগুলো পরাজিত হয় তোমার মায়ায়, হে পদাবলী। মাদাম তুসো বা ওয়ার মেমোরিয়াল বরাবরে হেঁটে যাই, হয়তো দেখা হবে একুশ শতকের আয়নায়। তবুও কত ভালা লাগা বিলুপ্ত হয়ে রয় ভাঙ্গা কাঁচের টুকরোয়। রোদ আর ছায়াদের যত ঋণ সূর্যের কাছে জমা। নি:শ্বাস ফেলা দেহে যেমন আগলে থাকে প্রিয়জনের ক্ষমা।
সাম্যতার কোরাস গেয়ে সয়ে যায় শোষিত মানুষের প্রতিবাদনামা- যেখানে স্বাক্ষর করেন দেওয়ান মনসুর । শোষনহীন পৃথিবীর নাগরিক হই.. প্রাণী থেকে মানুষ হতে হতে তিল তিল করে বাক্যে দিই নির্বাচিত অক্ষর।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান