আয়ুকাহিনী
জৈষ্ঠ্য জীবনে বহুকাল এমন খুঁড়ে নিয়েছি নিজস্ব হৃতমাঠ
আত্মঘাতী চাষাবাদ শেষে শুনেছি ঘনভার মেঘ ডেকে যায়
থেমে থেমে, চিরকালীন ক্রন্দন শেষে মুছে নিলে চোখ
নেমে আসে উদ্ধর্মুখী পিপাসা মৃত্যুর মতো মগ্ন, বসুধায়
অতৃপ্ত এই হালখাতা আমি রেখে যাবো তোমার কাছে
প্রতি বৈশাখে বন্ধকী দিক অন্য কেউ, তার যাপিত সর্বদিকে
মিলিয়ে নিক সে তার উপদ্রবী সংসারসমেত জঘন্য জীবিকালিপি
আমি শুধু রূপবতী মোমবাতিটির কাছে বসে রই অন্তরীণে
বহুবার এমন অবিনাশী দহনে শিরা কেটে রয়েছি হাতের
ও মিথুনলগ্ন পাখি ও পরিযায়ী ভোমরা,
পানশালায় আমার প্রহর ভরিয়েছি অনিরুদ্ধ লোভে
চেয়েছি বিদায়দৃশ্যে তবু একজোড়া হাতের জন্য কেঁদে উঠবে তোমরা!
সহসা শেষ হলে তৃষাতুর প্রতারকের মৃত্যু বন্দনা
অভিমানপরায়ন মেঘে ও হাওয়ায় ভাসুক তার আয়ুকাহিনী
স্মৃতি শিহরণে তাই খুলে যাক পার্থিব সকল দুয়ার
খুলে যাক শান্তাকুমারী, ধ্বস্ত সায়া ও ঘুঙুর তোমার!






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান