শামীম আজাদ মানে শব্দের শ্যামল-কণ্ঠ
মৌলভীবাজারের ভেজা মাটিতে
যেখানে বৃষ্টি ঝরে মেঘের সুরে সেখানেই জন্ম তাঁর কবিতা
যার প্রতিধ্বনি আজো কাঁপায় নীরবতার দেয়াল।
শামীম আজাদ
একজন নারীর নিঃশব্দ শক্তির গল্প
নামটি উচ্চারণ মানেই শব্দে শব্দে জ্বলে ওঠে
শতাব্দী জমা দমিত অলিন্দের আগুন।
তিনি কেবল কবি নন,
কলমে বহন করেন নারীর হৃৎস্পন্দন, বিদ্রোহ আর মুক্তি।
তাঁর কবিতা
বাঁধভাঙা নদী, ছাই থেকে জেগে ওঠা ফিনিক্স,
শামীম আজাদ
নামটি উচ্চারিত হলেই কানে বাজে
হাওরের ঢেউ, বৃষ্টির নৃত্য, আর জুঁই-সুবাসিত শব্দমালা;
তিনি কবিতা লিখেন না, তিনি আত্মার ভাষা উৎখনন করেন,
যেখানে লুকিয়ে থাকে মাটির শিশির,
মায়ের রক্ত-উষ্ণ স্নেহ,
আর শিকল ভাঙা নারী-স্বাধীনতার অগ্নিস্ফুলিঙ্গ।
তাঁর কলমে শব্দেরা জেগে ওঠে ভোরের পাখির মতো,
কখনো তিনি নদী, কখনো বৃষ্টি,
আবার কখনো অদেখা আকাশের ছায়া।
তবু প্রতিটি কবিতার ভেতর লুকিয়ে থাকে
একটি প্রশ্ন…
“নারী কি শুধু ভালোবাসা,
নাকি সে নিজেই এক মহাবিশ্ব?”
তাঁর জীবন নিঃশব্দে বলে-
“কবি হওয়া মানে শব্দে নয়,
মানুষের হৃদয়ে আলো ছড়ানো।”
চা-বাগানের সবুজে, মেঘলা বিকেলের ঘ্রাণে,
মেঘজড়ানো সন্ধ্যার স্নিগ্ধ ছায়ায়,
তাঁকে দেখা যায়
চুপচাপ, দৃঢ়, ভাবনার অগ্নিতে দীপ্ত,
শব্দের ভেতর জন্ম দিচ্ছেন নতুন মহাদেশ।
তাঁর চোখে এখনো জ্বলে সে পরিচিত আকাশ
মৌলভীবাজারের নীল,
যেখানে প্রতিটি বাতাস, প্রতিটি মেঘ জানে
শামীম আজাদ এখন কেবল এক নাম নয়,
তিনি কবিতার এক স্বাধীন উচ্চারণ।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান