কবিতা
কবিতা আমাকে দিয়েছে অমরত্বের পূর্ণতা
কবিতায় জেগে আছে ঐশ্বরিক প্রাণ।
ধূসর ধোঁয়াময় বিধ্বস্ত শহর, তবুও
কবিতার দৃষ্টি স্পর্শকরে সুনীল আকাশ,
অমাবস্যায় জ্বলজ্বলে জ্যোতির্ময় আলো
শূন্যাবর্তে নুয়ে আসে স্বর্গের সিঁড়ি
অস্তিত্বে ভেসেওঠে পুণ্যের সরোবর।
কবিতায় জ্যোৎস্নার ফোটা ফোটা শিশির জ্বলে
উষ্ণ প্রসবনে লক্ষ তারাদের উজ্জ্বল শরীর।
কবিতা শিখিয়েছে আয়ুষ্মান বন্দনা
আগুনের বিপক্ষে শব্দের জলকোমল মহিমা।
শব্দেরা জ্বলে, দহন শেষে উড়ে যায় ছাই,
ছাইয়ের বুকেই জেগে ওঠে অনন্তের শান্ত পৃথিবী।
কালচক্রের আবর্তে ঘূর্ণায়মান হিংস্ত্র টাইফুন
তবু কবিতায় স্পষ্ট রঙিন ইন্দ্রধনু।
কবিতার স্পর্শ জাগিয়ে রাখে শ্যামাঙ্গিনী উর্বশী
বুকের দেয়ালে অঙ্কিত মোনালিসা স্বভাব,
যেখানে আমি তার ঠোঁটের মৌন ভাষা পড়ি,
মহাকালের আদি গোপনমন্ত্রে কবিতার স্বরধ্বনি ।
কবিতার প্রতিটি শব্দে, উচ্চারণে মোহন সমতা,
আমি কবিতায় বিলীন হয়ে থাকি, আমরণ ক্ষুধার্ত,
শূন্যতার মাঝেও ধ্বনিত হয় প্রসূতপ্রাণ,
কবিতার অলিন্দে বিকশিত শান্তির শুভ্র কপোত ।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান