ধর্ষণের চিৎকারে লেখনীর রক্ত ঝরে
রাতে এখন ঘুমোতে পারি না
শিশুদের চিৎকারে ফাটল ধরা অন্তর
আর্তনাদে কম্পিত
সোনার বাংলার আকাশ পাতাল
রাজন, রাকিব, সায়মা, তনু, আছিয়া
এমনকি কাশ্মীর থেকে ভেসে
আসে আসিফার কন্ঠ
“বাবা বাঁচাও… খেলা ঘরের
ময়লা ফ্লোরে ভেঙে চুরমার
সব রূপকথার গল্প;
আমায় কোলে নাও বাবা…।
খেলনায় লেগেছে রক্তের দাগ
নতুন খেলনা দাও না বাবা…”
তন্দ্রা থেকে টেনে আনা
একটি Nightmare এর ভেতর
জেগে আছি
দু’চোখ বন্ধ করে…।
আবার সেই কাঁপুনি
ভয়ংকর ভূমিকম্পে সারা শরীরে ঝাঁকুনি
তনু ডাকছে… ডাকছে নুসরাত,
১৪ বছরের নীলা রায়ও ডাকছে
“বাঁচাও ভাইয়া…
চুড়িগুলি ভেঙে হাতে জায়গা
করে নিয়েছে
বেগুনি জখম রে ভাইয়া
তুই নতুন চুড়ি এনে দিবি না…
সানাইয়ের সুর কি আর বাজবে না?
লাল দেহে তো লাল শাড়ীই মানায়…
কোন রাজপুত্তুরের হাতে
আমায় তোলে দিবি না… “
এখানে কোন নর নেই,
নারী – শিশু
রাহু গ্রাসের ভেতর।
পাহারা দিতে আর আসে না কেউ
এ যেন এক ঘুমন্ত নগর…।
‘বাঁচাও’ শব্দ কেবলই শুনি
ঘুমায় দেশ, ঘুমায় মানব…।
বাঁচাও শব্দে মরে বিবেক
বাঁচে শুধু ভেতরের দানব….।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান