গাজা! আমরা এখনো কবিতা লিখি
চারদিক রক্তাক্ত! মানবতার হুমকি! চলছে মুণ্ডপাত!
গাজার শিশুরা শিখলো না খেলা, ছড়া কি ধারাপাত!
তবুও আমরা কবিতা লিখি!
সূর্যাস্তে যখন আকাশ-রক্তিমা,
সবার আঁখিতে জাগায় এক প্রেমের ছন্দ।
মন ভাসে আজানা স্রোতের টানে,
অনুভবে বাজায় রিনিঝিনি
নিবিড়তার উপলব্ধি মৃদুমন্দ।
গাজার আকাশে তখন কৃষ্ণ ধুম্রজাল- গর্জে বোমা,
ভুলেছে সবাই পাখীর গান, নন্দিত গোধূলি রক্তিমা।
তবুও আমরা কবিতা লিখি!
পথে চলি ভাবনার স্বপ্ন এঁকে
যেথা নেই আঁধি! নেই নিগ্রহ বাস্তবতার।
শুধু আবেগের নির্লক্ষ্য বচন,
হৃদ্যতার মুহুর্মুহু সমর্পণ-
মানসে জন্মায় কবিতার ভাব শব্দকার।
ওরা কবিতা শোনেনি, শব্দ অর্থ ‘গুড়ুম’! ‘গুড়ুম’!
একদার রঙিন কানন ভস্মে ঢাকা, নেই তাজা কুসুম।
তবুও কবিতা লিখে চলি!
সূর্যাস্তে অনুপ শোভা লালিত-
ভাবনায় বেকুব প্রেমের রাগে সম্মোহিত।
কবিতা লিখি বিভাব হেমরাগে
আরাধ্য উপমায় আকুলতা।
কেউ বা আবেগের উন্মাদনায় বিভ্রান্ত!
নির্লজ্জ আমরা শুনেও শুনিনি, দেখেও তো দেখিনা।
তাই কি ঢাকি নয়ন, বাহারি কাজলের রেখার টানা?






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান