শ্রদ্ধা হে কবি। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা “রবীন্দ্র চয়ন” কবিতা।

রবীন্দ্র চয়ন

বৈশাখে বর্ষণ হয় দগ্ধতার দীর্ঘ অবসানে
দৈনন্দিন মায়ামৃগ হাঁটে তালে চিরায়ত প্রাণে
স্পর্শ জাগে নিবিড় সত্তায় অবশ অচৈতন্য মনে
দৃঢ় রাখে স্তম্ভ হয়ে অমলিন স্নেহ আয়োজনে

নদী, বৃক্ষ, ফুল, পাখি চির চেনা তবুও অচেনা
রক্তে বয় খরস্রোত ঐতিহ্যের অহংকারে কেনা
বাবলার বন ডাকে প্রকৃতির কোলে প্রকৃতি
কৃত্তিমান বংশ হ’য়ে পাশে থাকে অমোঘ নিয়তি

হৃদয়ে শারদ বাজে হে গুরু তোমাকে ভাবলে
নাম ধরে ডাকে কে যে প্রিয়তম শব্দের আদলে
বহদূরের গল্প বলে অনুরাগে ওপার নন্দিনী
তরণী ভিড়ায় কাছে, ভাঙে ঢেউ আলসে বন্দিনী

জ্যামিতিক দিনমান সুর হয়ে সাধক সাজাও
ঘুম ভাঙানিয়া বাঁশি অবিরত বাজাও বাজাও।


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

“খাতুনে জান্নাত” এ একটি মন্তব্য

  1. কৃত্তিমান>>>>> কীর্তিমান । বানান ঠিক করে সম্পাদক মহাশয়ের প্রকাশ করা উচিত ছিল।

    রচনা ভাল লাগল। তবে প্রত্যাশার অনুরূপ নয়। কবিতা সাধনার জিনিস। কলমে উৎকর্ষ কামনা করি।

    ——-মণীষ চক্রবর্তী

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Trending