হাতচিঠি

আকাশপাতাল অমানুষিক বৃষ্টিতে অপরাধী মুখচ্ছায়াগুলি কেঁপে কেঁপে ওঠে। কোনও স্পষ্ট ইতিহাস নেই হয়তো। বা, মনে পড়ে না। পুকুরের জলনীলিকায় রোদ্দুর সবুজ হয়ে গড়িয়ে পড়ার মতো, শুধু টের পাওয়া যাচ্ছে –  কোথাও একটা আকাশ রয়ে গেছে আজও। তেম্নি অত্যন্ত সংক্ষেপে ফাতনা নড়ে উঠছে। টোপ ঠুকরে পালাচ্ছে অভিজ্ঞ – যাঃ, বঁড়শি গেঁথে গেল বলতে বলতে! ধড়ফড়িয়ে উঠল প্রাণ। কী যেন, কোথায় যেন, অবহেলা জমে আছে কুচি কুচি, টুকরো টুকরো উপেক্ষার ক্ষত। ঠিকরে পড়ছে বৃষ্টির ধারালো কাচে সারা রাত। বজ্ররবে কেউ ভয়ে থরহরি কাঁপছে। কেউবা স্বপ্নের সলতে পাকাচ্ছে নিশা-অবসানের। তারা সংখ্যালঘু। যা চা’বার তা সর্বস্ব দিয়ে চাইতে জানে তারা। বেবাক গতর নিয়ে লাঙল-কাঁধে লাফিয়ে পড়বে কাদা-জল মাঠে। ক্ষমা ভিক্ষার এটাই সেরা তরিকা। কে যেন, কার কাছে! ইয়ে, ওই যে অস্পষ্ট সব অকৃতকর্মের মুণ্ডহীন ছায়া, অপূর্ণ ইরাদা যত, প্রান্তরে ছড়ানো ছিন্ন নিশানের রক্ত। ঝাঁকে ঝাঁকে রাঙাঠোঁট টিয়ে সব ফেলে উড়ে যাক। যেনবা বৃষ্টির পর অন্য কোনও বৃষ্টিঘোর ধাঁধা


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Trending