রাশিদা তিথি
আমি ছটফট করি, সে উল্লাস করে।
যেই চোখ বন্ধ করি, সে কাত হয়ে শোয়।
দিনরাত জেগে আছি—
রক্তের গভীরে রৌদ্রস্নানে পুড়ছি আমি,
আর জ্যোৎস্নার অমৃতধারায় গা ধোয় সে।
তরঙ্গায়িত ধারা নাভি থেকে
অন্তরাল স্পন্দনে মিশে যাচ্ছে তার।
চিটা ধানের হৃৎপিণ্ডে প্রাণ সঁপে
আজ কানাকড়িহীন —
উড়ে যাই সম্মোহিত দিগন্তের দিকে,
সূর্যের তরফ থেকে পাতা জাগানোর টানে।
কিন্তু তার তীক্ষ্ণ ফলা
এলোমেলো ছিদ্র করে রেখেছে
দৈনন্দিন জীবনের তোষক-বালিশ।
কোথায় সেই স্থির বিন্দু?
জানি না তো—
তাই তোমার দেউড়িতে দাঁড়িয়ে আছে
আমার আজন্ম ভিখারি সত্তা।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান