
আমি ঈশ্বরকে ডিভোর্স দিয়েছি
আমি ঈশ্বরকে ডিভোর্স দিয়েছি,
তার মন্ত্রের ফাইল ছিঁড়ে উড়িয়ে দিয়েছি ছাদের কার্নিশে,
তার বিধির বেডসাইড নোট
আমি একে একে পুড়িয়ে রেখেছি অ্যাশট্রেতে।
আমার যখন শরীর ডাকে-
ক্যালেন্ডার বলে,
“আজ পূর্ণিমা, আজ পবিত্র, আজ সংযম।”
সংযমের ঘাড়ে চুমো দিয়ে বলি,
“ফাক ইট, আমি ক্ষুধার্ত!”
প্রেমিক একদিন বলেছিল,
আমার শরীর আরও নরম হওয়া উচিত,
আমার ঠোঁট সংকোচের ভাষা বলা উচিত,
আমার পায়ের শব্দ বেশি ভারী হলে নাকি
বিবেকের কানে লাগে।
আমি বলি—
শরীর আমার যুদ্ধক্ষেত্র,
এখানে কামনার আগুনও জ্বলে,
বিদ্রোহের পতাকাও উড়ে।
আমি প্রেমিকের বিছানায় ঈশ্বর খুঁজি,
আঙুলের স্পর্শে মুক্তির লিপি খোদাই করি,
ঘামে নেমে আসে এক অন্যতর ঐশ্বর্য,
কোনো গ্রন্থে লেখা হয়নি তা!
এই ঠোঁটে বিধবা রাতেরা পুনর্জন্ম নেয়,
আমি রেড লিপস্টিক দিয়ে লিখে দিই—
“আমি আছি “
বুকে জমে থাকা স্বপ্নদের ছাই ঘেঁটে দেখি,
সেখানে ধর্মের মৃত কবুতর,
নিয়মের ভাঙা দাঁত, বৈষ্ণব পদাবলীর কথা…
ইতিহাসের তর্জনী থেকে মধ্যমা।
(উৎসর্গ: সেইসব নারীদের, যারা শরীর, প্রেম, ঈশ্বর—সব কিছুকে নিজের মতো করে সংজ্ঞায়িত করতে শিখেছে )






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান