Powered by
WordPress
  • শ্যামাপ্রসাদ ঘোষ

    টুঙ্গিপাড়ার ছেলে গোপালগঞ্জ আমি যে ছুঁয়েছি তোমার পুণ্য মাটি,মুজিব-ধন্য তোমার মাটি যে এখনো তেমন খাঁটি।তোমার মাটিতে জন্মানো ছেলে হিরে মানিকের সমান,জাতিরজনক বিশ্বমানব হয়ে দিয়েছেন প্রমাণ। কিছু কিছু মাটি এমন থাকে যে সবাই তা ছুঁতে চায়,কিছু কিছু প্রাণ এমন থাকে যে বিদ্যুৎ চমকায়।বিদ্যুৎ -শিখা মুজিব ছিল যে তোমার চোখের তারা,মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ডাকতেই সৈনিক হলো খাড়া। গোপালগঞ্জ…

  • প্রণব কুমার মজুমদার

    বঙ্গবন্ধু তুমি ছিলে সূর্যের মতো আলোয় উজ্জ্বল,অন্ধকার ভেদ করে আনলে মুক্তির আলো।বাংলাদেশের মাটিতে তোমারই ডাকে,ফিরিয়েছো হাসি দুঃখী মানুষের মুখে। তোমার কণ্ঠে জাগে সাত কোটি প্রাণ,শপথের আগুনে জ্বলে ওঠে মুক্তির গান।মাতৃভাষার দাবিতে তোমার দৃপ্ত শপথ,অন্যায়ের পথে রাখোনি কোনো পদক্ষেপ। পঁচিশে মার্চের রাত্রি যখন জ্বলে,রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা এলে।তুমি ছিলে জাতির একমাত্র পথপ্রদর্শক,শত্রুর চোখে যদিও বিদ্রোহী নেতা এক।…

  • দীধিতি চক্রবর্তী

    তোমাকেই দরকার বাতাসটা আজ রুক্ষ ভীষণছিঁড়ছে নারীর টান,এসো একবার তুমি, একবার এসোশেখ মুজিবুর রহমান…। দাঁড়াও সমুখে জাগাও সে বুকেমানবিকতার ঢেউ,আজ বাঁচার মতন বাঁচতে ভুলেছেআমাদের কেউ কেউ…। বঙ্গবন্ধু তোমার মাটিতেমুখ বুজে সব সই…প্রতিবাদ থাকে কবরে ঘুমিয়ে আপোষেই জেগে রই….। সাম্প্রদায়িক কালো হাত আজরুদ্ধ করেছে পথ..আমরা ভুলেছি তোমার শেখানোদৃপ্ত সে শপথ….। ভুলেছে অনেকে গুলির আওয়াজভুলেছে কফিন শোক,এসো একবার…

  • সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল

    বাংলাদেশের হোল্ডিং নম্বর দাঁড়িয়ে থাকাএই মধ্যবিত্ত মাত্রাবৃত্তের বাড়িটিশুধু সামান্য একটি দোতলা বাড়ি নয়,৩২/ ৬৭৭হোল্ডিং নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িটিএকটি জাতির আঁতুড় ঘরএকটি দেশের নাড়ি পোঁতা পৈতৃক ভিটেবাড়িবীজমন্ত্র। তোমার বাড়িআমার বাড়িআমাদের আত্মা এবং অস্তিত্বের ঠাঁয় ঠিকানা বত্রিশপ্রতিটি বাঙালির নাড়ি পোঁতা বাড়ি ৩২প্রতিটি বাঙালির পরিচিয়পত্র বত্রিশ।

  • শিহাব শাহরিয়ার

    ২৮৮ দিন পর… ওরা তোমাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেতুমি পরাজিত শত্রুদের পাঁজর ভেঙে দিয়েস্বপ্নহীন এক অনিশ্চিত জীবন থেকে মুক্ত হয়েউড়াল দিয়েছো প্রিয় স্বপ্নভূমি স্বদেশের দিকে দীর্ঘ নয় মাস…তোমার জন্যে প্রতীক্ষায় ছিল মধুমতিতোমার জন্যে অপেক্ষায় ছিল রাসেল ১০ জানুয়ারি বাহাত্তরইতিহাস তার পৃষ্ঠায় আঁকল ইতিহাসসেদিন তোমার দুঃখিনী বাংলাবিজয়ের উল্লাসে ভাসছে, হাসছেমুক্ত বাতাসে উড়ছে রক্তখচিত প্রিয় পতাকাসমস্ত পথজুড়ে…

  • সুবীর সরকার

    লাটিম আমরা বিপন্ন হয়ে উঠতে জানি সাপ ও সাপের খোলস দিনদুপুরে ফুটবল খেলে দেখি লাটিম ঘুরছে                                                বন ও বাদাড়ে বাঘ ভোরবেলা নদী পেরচ্ছে বাঘ।এই দৃশ্য যারা দেখেন তারা কিন্তু উড়ন্ত পাখির ছায়ায় দাঁড়িয়ে থাকতে পছন্দ করেন।দূরে কাছে বাজনা।নাচ।নাচ ও গান নিয়ে  পরিভ্রমণ সেরে ফেলা।এদিকে নদী পেরোন বাঘটি নখ                                              ঘষছে গাছের শরীরে। ঘাম পাখিদের গ্রাম,রেখে আসি…

  • এম এ ওয়াহিদ

    ঈশ্বর ও প্রেমিকের সংলাপ ০৩ আমি ঈশ্বরকে বললাম— আমাকে জীবন দাও; তিনি আমাকে পাঠিয়ে দিলেন ধুলোর পৃথিবীতে। অথচ আমি চেয়েছিলাম জীবন— তিনি দিলেন শুধুই জীবনযাপন। আমি বললাম—আমি বাঁচতে চাই; তিনি দিলেন স্ত্রী আর সন্তান। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম নিজেকে নিয়ে বাঁচতে— তিনি দিলেন দায়িত্ব আর বিপন্ন ভালোবাসা। বললাম—আমার একা থাকা দরকার। তিনি রাত এনে বললেন— এই…

  • অনার্য শান্ত

    ।। বৃষ্টিদিনের রূপরেখা ।। বৃষ্টির কোটরে জমে আছেএকটা অপঠিত স্যাঁতস্যাতে গলিযার দেয়ালের সমস্ত শরীর জুড়েলেখা ছিলোআমাদের উচ্চারণহীন সংলাপ। দুপুর আজ গলে গলে পড়ছেচা’য়ের কাপে ভাসে কার পুরোনো আহ্বান-এতদিন পরেওএকটা “যদি” এসে বাঁচিয়ে রাখেভাঙা ছাতার নিচে দাঁড়িয়ে থাকাঅস্ফুট প্রেম। ঘরের ভেতরেদেয়ালের গায়ে বৃষ্টির ছায়া চুপ করে হেলান দেয়আলনার ওড়নায় কেঁপে ওঠেএকটি ফেলে-আসা নাম-যেটা এখন শুধুইমেঘে ঢাকা…

  • পিয়াল রায়

    পিয়াল রায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের এক বিশিষ্ট প্রতিভাভারতের দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীতে জন্মগ্রহণকারী পিয়াল রায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র ও প্রতিভাবান কবি ও প্রবন্ধকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তাঁর সাহিত্যিক কর্মজীবন কলেজ ম্যাগাজিনে লেখালেখির মাধ্যমে শুরু হয়।বিগত বছরগুলোতে পিয়াল রায় বাংলা সাহিত্যে তাঁর নিজস্ব…

  • দালান জাহান

    দুঃখের কোলাজ প্রতিরাতেই তোমার নাম ধরে ডাকিঅন্ধকার ও নিঃশ্বাসের মাঝ বরাবরনির্মাণ করি পথ। প্রতিরাতেই দ্বিখণ্ডিত করিইচ্ছে ও অনিচ্ছার পালক সুতাখোলে রাখি দুঃখের কোলাজ। প্রতিরাতেই তোমাকে খোঁজিখুঁজতে খুঁজতে হারিয়ে যাইতোমার হারিয়ে যাওয়া মুখের মতো।

  • মণীষ চক্রবর্তী

    কে আবার লিখবে ছাড়পত্র? পূর্ণিমার চাঁদ আজও ঝলসানো রুটি শুধু কলমগুলো বিকিয়ে গেল রাজনীতির নিলামে। অট্টালিকার মানুষদের বিশ্বাস করে মোরগটা আজও করে চলে ভুল । ঘরে তার নেই একমুঠো ভাত ছোট্ট মেয়েটা খিদের জ্বালায় মাটি খামচায় হোম ডেলিভারী রানার ছোটে তখন শহরের পথে পথে ঊর্ধ্বশ্বাসে বিরিয়ানী বেঁধে পিঠে । বখশিশ বাঁধা লাথ, জুতো আর খিস্তি…

  • নাজিম ঊদ্দিন

    অন্তর্হীন যন্ত্রশব্দে একাকী আমি ক্লিক… ক্ল্যাং… টিক টিকজীবন এক মেকানিকাল কবিতা।আকাশ এখানে নীল না,স্ক্রিনের আলোয় চোখ ধাঁধায়নীল মানে RGB কোড। চারপাশে নিয়মিত অপারেশনের শব্দ,মানুষেরা এন্ট্রি ডেটা হয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে।আর আমি?একটা ‘ফিল্টারবিহীন ফ্রেম’,অতীতের কোনো অডিও ক্লিপে আটকে আছি। সুখএকটা এলগরিদম যা আমায় বাইপাস করে চলে যায়,যেন আমি কোনো ব্যতিক্রমী ভেরিয়েবল।“আপনি আমাদের মানদণ্ডে উপযুক্ত নন”এই তো…

  • জাকিয়া রহমান

    কবি গুরুর জন্মদিন, ২৫শে বৈশাখ স্মরণে…যত শব্দের সওদাগরী সৃষ্টি তোমাকেই দিয়েছিল যত শব্দের সওদাগরী!ছন্দ ছন্দে কত যুগে যুগে এই প্রকৃতিকে তুমি,ভালোবেসেছিলে কত জানি।গেঁথেছো কত গীতি মালা,সম্মোহিত করেছো মন। কত রূপে এসেছে প্রেম তোমার কলম ঝর্ণায়,জাগিয়েছে প্রেমের অনন্ত অভিসার।যুগল প্রেমের কত ব্যথা-বিরহ-মিলন তোমার ছন্দে জাগে,বিরহ বিধুর অশ্রু ধারায় তোমারি শব্দ কাঁদে। জাগে রজনী প্রেমের স্রোতে-আকাশ আধারে…

  • খাতুনে জান্নাত

    শ্রদ্ধা হে কবি। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা “রবীন্দ্র চয়ন” কবিতা। রবীন্দ্র চয়ন বৈশাখে বর্ষণ হয় দগ্ধতার দীর্ঘ অবসানেদৈনন্দিন মায়ামৃগ হাঁটে তালে চিরায়ত প্রাণেস্পর্শ জাগে নিবিড় সত্তায় অবশ অচৈতন্য মনেদৃঢ় রাখে স্তম্ভ হয়ে অমলিন স্নেহ আয়োজনে নদী, বৃক্ষ, ফুল, পাখি চির চেনা তবুও অচেনারক্তে বয় খরস্রোত ঐতিহ্যের অহংকারে কেনাবাবলার বন ডাকে প্রকৃতির কোলে প্রকৃতিকৃত্তিমান বংশ…

  • অভিজিৎ বসু

    রুইতনের বিবি      ইচ্ছে করে ভুল বানানে তৈরি  ঘুমন্ত মানুষজন।সহজ করে ইঁদুরের মতো রাতারাতি বেড়ে ওঠে সময়।আর রাস্তাগুলো কাঁপছে নীল আলোর ছটায়।সবচেয়ে কঠিন অপেক্ষার জন্য চিৎকার।চেনা রাত আঁকড়ে ধরে শূন্য দেয়াল।   :হাজারো প্রশ্ন।কবে আসবে?  :কোথায়?  : নম্বর হীন বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কবে ঠোঁটে ঠোঁট রেখে বলবে, তোমার শরীরে সূর্যমুখীর ঘ্রাণ। যশোরের প্যারিস রোডে তখন…

  • সুবিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

    পিরিতি যে ভাবে মানুষখেকো বাঘিনী তার মড়ি আগলে রাখেসে ভাবেই থেক। জল ও পিপাসা, জেলে ও নদী যদি পাশা পাশি বসে তবে কখনো আউট্রাম ঘাটে বাঘিনী ও মড়ি পাশা বসে বাদাম ভাজা খাচ্ছে দেখলে কেউ চমকে যায়না যেন। ধুতুরা বালক হ্রদ হ্রদ ওহে হ্রদতোমার পাশে দু’দন্ড দাঁড়াব। জল ওহে জল আমার জিহ্বায় হও নতহ্রদের সন্নিকটে,…

  • দেবজিৎ অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়

    লম্পটের খেউড়গীত ভুলে যাওয়া বিকেল বিকেলআর তারদিকে তাকিয়ে,আমিও ক্রমে ঘুঘুতিন মুঠো ভাতেই খুশি তারাআর যা কিছু নাতিশীতোষ্ণসরীসৃপের কামনা বাসনায়ধারণ করেছি ঋতুচক্র প্রতিটা কোষেআর ভারী-ভারী বুকের খিদেএই বুঝি এলো সেই ছেলে জল সারাতেআর আমরা পিপাসাকে মুঠোয় নিয়েঅপেক্ষা করছি তো করছিলিচুরা ফুরালো কালে কালেদেশি আমদের খতম করো আগেআকন্ঠ মদ গিলেমুখে মিষ্টিপান দিয়েসোজা ভাবে হেঁটে যাও গটগটিয়েওখানে ছোট্ট…

  • সর্বানী পাল

    ইচ্ছে তুমি বল, আমি ভালো আছি।সত্যিই কি তুমি ভালো আছো?আমি তো দেখেছি বুকের মাঝে নীরব রক্তক্ষরণ ভেজায় তোমার মন।আমি তোমার আবেগী প্রশ্রয়ে উদ্ভাসিত হ ওয়া তোমার মুখের হাসি।যখন কেউ প্রশ্ন করে কেমন আছ তুমি?এক টুকরো হাসি ছড়িয়ে দিয়ে বল, আমি ভালো আছি।সত্যিই কি তুমি ভালো আছো?আমি তো শুনেছি বাতাসে তোমার গভীর দীর্ঘশ্বাস।আমি যে অনুভব করি…

  • তীর্থঙ্কর সুমিত

    কালের প্রতিধ্বনি  ভাবছি আবার একটা গল্প লেখা শুরু করবোযে গল্পে পথের বয়স থেমে থাকবেক্রমশ হাসবে নুড়ি – পাথর আর পথের ধুলোখবরের কাগজের পাতায় ফুটে উঠবেকালের প্রতিধ্বনি…ব্যর্থ বিন্দুরা জেগে থাকবে বৃত্তের ভেতরনির্মল ঝিলে উঁকি দেবে স্বাধীনতার মহামন্ত্রছায়াপথের ছায়ায় নিজেকে ঢেকে নেবো আঁচল দিয়েতারপর, এক – একটা দিনআকাশে ঘুড়ি উড়বে আর নীলকে নীল হতে দেখবো প্রখর আদ্রতায়…

  • তুষার ভট্টাচার্য

    রৌদ্র অহংকার ভাসমান যে জীবন রাত কুয়াশায় নীরবে  হারিয়ে গেছে মেঠো চাঁদ ডোবা অন্ধকারে  হিজলের বনে  সেই নুয়ে পড়া ম্রিয়মান জীবন খুঁজি না আর  নদীর আঁচলে ; পাখি ডাকা ভোরের নরম গন্ধ নিয়ে পুবের  জানালায় যে নূতন দিন উড়ে আসে  তার থেকে কুড়িয়ে নিই  বেঁচে থাকার রৌদ্র অহংকার l আকাশের আয়নায় মধ্য রাত্তিরে বুকের মধ্যে…

  • মুহাম্মদ আস্রাফুল আলম সোহেল

    দৃষ্টিপাত চোখ কখনো মিথ্যা বলে না ৷ হৃদয়েশ্বরী এতো প্রেমে পড়েছে— আমি তার উল্লাস দেখেছি ৷ ঐ মেঠোপথে দুরন্তপনা ৷ অব্যক্ত কথাগুলোর জন্য তীব্র আকুতি ৷ কখনো দুঃসাহসিকতা ৷ অপলক চাহনির গহীনে সহস্রাব্দের নীরবতা । কি যেনো শত জিজ্ঞাসা? বালুকাময় সমুদ্র সৈকতে অনুরাগ দেখেছি ৷ কখনো তার অপরূপ সৌন্দর্যের মহিমা ৷ জ্যোৎস্না রাতে পূর্ণিমা চাঁদের…

  • মধুমিতা দত্ত

    গল্পঃ সৈকতের ক্যানভাস সারি সারি সবুজ ঝাউবীথি, আর নরম বালির মাঝে দীর্ঘ অপরূপ গোকর্ণ সৈকত, সাগরের নীল জলরাশি আর ঢেউয়ের গর্জন প্রকৃতির এক সুরেলা সংগীত হয়ে উঠেছে | প্রজ্ঞা যখন সেখানে পৌঁছালেন , সূর্য্য তখন অস্তরাগের পথে | সমুদ্রের তীরেই হোটেল | তাই সবকিছু সেরে এসে সৈকতের একটি জায়গা দেখে প্রজ্ঞা বসে পড়লেন | সমুদ্রের জলরাশির…

  • দিদার হাসান

    চিহ্ন না রেখে কোথাও কোনও চিহ্ন রাখা যাবে নানা পায়ের না হাতের না হৃদয়ের;তাতে আড়ালে যাওয়া সহজ হবেকারণ ধরে নিবেন আপনি একদিনআকাশের সীমানা থেকে সরে যাবেনতখন যেন মেঘ আপনাকে খুঁজে না পায়বৃষ্টিও আপনাকে যেন না ছুঁতে পারে!আপনি বুদ্ধিমান, তাই পদচিহ্ন রাখবেন না কোথাওনা হৈমন্তিক বিকেলের ছায়ায়, না গোধূলীর লালিমায়।আপনি কৌতূহল প্রিয় হলেও সতর্ক থাকবেননিজেকে এমন…

  • সাদিয়া নাজিব

    অতিবাহন পায়ে দীর্ঘ পথচলার উল্কিছুঁয়ে দেখি সেমেটিক রেখাদুর্ধর্ষ গন্ধ!চোয়ালের দৃঢ়তায় সুমেরীয় শৈলীইউফ্রেতিসের কোল ঘেষেযে সব ঘাস উদগত হয়েছিলোতার সবুজতা বুকে ঢেউ তোলে।ঠোঁটের সেই পবিত্র শব্দবর্ণে ছন্দে ছবি আঁকে।অভিজ্ঞতা ইতিহাসলেপ্টে আছে ফিনিশিয় অবয়বে।সভ্যতা,পৃথিবীর বুক চিরে এফোঁড় ওফোঁড়পাল তুলে চলেছো এগিয়েধুলো কাদা মেখেঅক্ষরে,জ্ঞানে,শিল্পেঅজ্ঞাত সম্মুখে।

  • কামরুন নাহার

    ভিড়ের গল্প এই যে মানুষ ভিড়ের মাঝে হারিয়ে একা;গল্প করে, নিদ্রা ভেঙে নিঝুম রাতের শূন্য তীরে, দাঁড়িয়ে একা; ভেবে চলে পাখি এবং নীড়ের কথা।ভাবতে ভাবতে তৃণ থেকে গাছ হয়ে যায়,কাটা ছেঁড়ার গল্প ভিড়ে; এই যে মানুষ স্বপ্নগুলো তাড়িয়ে বেড়ায়; রোজ অজানা ভুল বশতো!রোজ জীবনের পৃথক সাজে নর এবং নারীর গল্প একঘেয়ে খুব! তবে পিঁপড়ে এবং মাঝির…

  • জাহাঙ্গীর জয়েস 

    পাথর যুগ অবাক হয়ে দেখি চলে এসেছে আরো এক পাথর যুগ- তাকালেই লাল হয়ে যায় অগণিত চোখ; জামার ভেতর কিলবিল করে অজস্র জিভ নদীতে ভেসে যাওয়া মরার ভেতর কিড়ার মতো। কিছুই যাবে না বলা- মাথা ঝুলিয়ে অভিবাদন জানাতে হবে, আঙুল খুলে, চোখ তুলে যত্ন করে রাখতে হবে শোকেসের তাকে। ঘাড় দিয়ে সাপ নামবে, জল গড়াতে…

  • পিয়াল রায়

    যে কথা বলা হয়নি এখনো আমাকে অপেক্ষায় রেখেতুমি চুপচাপ হয়ে যাওফাল্গুনের কার্পেট তোমাকে উড়িয়েদূরের কোনো পাহাড়ে নিয়ে যায়সেখানে ঘনীভূত মেঘ বুঝি পশমের রুমালইচ্ছা বা অনিচ্ছায় নেমে পড়ে যখন তখনতোমাকে নিয়ে যায়ও তল্লাটের চোখ বাঁধা চাহিদার ভিতর নামার সাহসকিছুতেই হয় না আমারফুলের টবে সাজানো পাহাড়ের ছোট ছোট গ্রামসহজ সরল অথচ অপরিহার্য ঘনিয়ে ওঠা ক্রমেইতোমাকে লিপ্ত করেমুষ্টিমেয়…

  • রাজেশ্বরী ষড়ংগী

    মাদক ১.শীতলক্ষ্যার বুকে চাঁদ ডুবে জ্যোৎস্না মাখেঠিক যেন মাদক হরবোলা। তোমার বুকে ফুটে থাকে মহুলফুল,কাঠবাদামের গন্ধ আসছে আজ। ওগো মাদক হরবোলা-প্রিয় সঙ্গম পুরুষ, জলজ্যোৎস্নার দিনেচাঁদের পিপাসা খাও– ২.দ্রোণবৃক্ষে ঋণ থেকে যায়। অর্জুন দক্ষ অতি।মৎসহীন চোখে,বিদ্ধ করে পুষ্প, সংহার। নারী চায় তেজস্বী বাহুর আধার

  • জয় গঙ্গোপাধ্যায়

    নবান্ন তোমার হাতে তুলে দেবো সোনার কাস্তে, সোনার লাঙল-ফলা,তুমি মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে বলবে তোমার ইস্পাত-ই চাই,ধান কাটতে কাটতে দেখবে সোনার কাস্তে ভোঁতা,তখনও হয়তো কাটাই হয়নি সিংহভাগ ধান– তোমার সোনার ধান!তুমি বলবে– ’এ কেবল ধান নয়– এ হলো আমাদের জীবন!’আমি অবাক হয়ে দেখবো ইস্পাতের কাছে সোনার পরাজয়!দেখবো ধানের বিজ্ঞাপন আমাদের দিন-রাতের জীবন।ধান কাটা সারা হলে নতুন…

  • ওয়াহিদার হোসেন

    দোপাটি যেভাবে ফোটে তুমি এঁকে দাও নীল ফুলদোপাটি যেভাবে ফোটেজেগে ওঠে দহখালবিল নি:সঙ্গ চটুল যেভাবে এঁকেছ মরা পাখিভাঙা ডিমকিছু আলোচনা বাকিমৃতবৎ, হিম ঝরে হিম তারারাও নিজের মতোনএঁকেছে যন্ত্রণার রংতুমিই নীল,সুহৃদ স্বজন