Powered by
WordPress
  • ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত

    পথযাত্রী যেখানে দাঁড়িয়ে আছিতুমি নেইকোন বৃক্ষ নেইছায়া নেইমায়া নেই যেখানে থেকে পথের শুরুহাঁটি শুধু হাঁটিএকা একাএই পথ চারপাশে অজস্রবুনো লতা গুল্ম ফুলচিনতে চিনতে যাচ্ছি এই চেনা শেষ হবেপথ প্রান্তে এসে

  • অভিমন্যু মাহাত

    দুয়ারিমহুল এই পুকুরেই শতদল, শালুকের হাসিযে গাঁয়ের নাম দুয়ারিমহুল, তার দেওয়ালে নানা উল্কিবর্ণভাঙা কিছু আলচিকি লিপিকড়ে আঙুল জেনেছিল ছন্দের নিয়তি গোবরের খরচ বেশি এই উঠোনেবৃষ্টি এলে আক্ষেপ থাকে। কার আশ্রয়?ছিটানো নকশা উলোটপালোট হয় শতদলেআঘ্রণ মাহের বাতাসে ভুল ছিল কিছুভাতের থালায় নুন বেশি পড়ে,জামাইয়ের মন জড়োসড়। শালুক দিও বরাভয়…

  • প্রতিম বিশ্বাস

    লুম্পেন লুম্পেনের পর লুম্পেন শুয়ে আছে ঠাণ্ডা মর্গেবাইরের পৃথিবীতে এদিকেখেলা চলে পাশের বাড়ির দোতলা আর একতলার মাঝেকিন্তুআসলে কি হয় লুম্পেন?বারোয়ারি বেশ্যার ভিটেতে মদ খেয়ে বাওয়ালিতে যখনআমার ভেতরে তুফান তুলছে শরীরের টানতখন আমার ভেতর নিংড়ে বেরোচ্ছে বন্দে মাতরমের রক্তআস্তে আস্তে এসে গ্রাস করে আমাকে আমারসব ব্যাপারের প্রোটাগনিস্ট সত্ত্বাজানো কবি, লুম্পেনদের জানো। দূরে পুলিশের ব্যারিকেডে লেগে থাকা…

  • গৌতম যুথিপুত্র

    রাগ বাগেশ্রী লক্ষ্মীকে পেটে নিয়ে লক্ষ্মীর পোয়াতী মা গুণগুণিয়ে গাইতো“জানি নাই তো তুমি এলে আমার ঘরে…”লম্ফর আলোয় রান্নাঘরে কাঠের চুলায় ফুটতো ভাত!লক্ষ্মীর বাপ তখন দেশি মদ খেত বেশ্যাপল্লীতে, পার্বতীর ঘরে। আপ লালগোলা ট্রেনে লক্ষ্মীকে কোলে নিয়ে লক্ষ্মীর মা গলা ছেড়ে গাইতো“সব যে হয়ে গেল কালো, নিবে গেল দীপের আলো…”হাতে ধরা ভিক্ষার বাটি! সস্তা চুষকাঠি কাঁধে…

  • পলাশ দে

    আত্ম এক দূর আসে কীভাবে এলো ভাবতে ভাবতে, হাঁপায়চাষী বউয়ের বাঁকা স্তন থেকে গড়িয়ে পড়া ঘামেনাচে শহর যুদ্ধ করে কুঞ্জ মেঘ আর ধান ঝাড়া মাটিসে প্রাচীন সালিশি সভা দিগন্ত খুলে রয়েছে আজও চলে যাচ্ছে দূর কতক্ষণ তাকিয়ে থাকা যায়এই রেশ উত্তেজনা হাহাকার অসুস্থ মানুষ খুঁজছে তোমাকেহাঁ এর পৃথিবী একবার অন্তত না বলে যাওতুমি ফিরবে বলে…