
আমি নারী, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ উপহার
আমি নারী! আমি অনন্যা! আমি শাশ্বত!
আমাকে ছাড়া ইতিহাস জন্ম নেয় না।
যারা ইতিহাস জন্ম দেয় আমি তাদেরই প্রসূতি।
তাই সৃষ্টিপর্বের আমিও এক অংশিদার।
আমি নারী-নদীর মতো বহমান,
গভীর, বেগবান, অবিরাম বয়ে চলি,
কখনো শান্ত, কখনো প্রেয়সী প্রেমময়,
আবার কখনো গর্জে উঠে ভেঙ্গে ফেলি বাঁধ,
আবার নিজেই গড়ে তুলি আপন চলার পথ।
আমি নারী-আলোর ছটায় ছড়িয়ে পড়ি,
প্রেমের উষ্ণতায় ভরিয়ে দিই ঘর, জগত সংসার,
আবার যখন আমায় দাবাতে চায় কেউ,
দাবানল হয়ে জ্বালিয়ে দেই অশুভ, অসহ্য নীড়,
আমি নারী-আকাশের মতো সীমাহীন,
অসীম দিগন্তে বিস্তৃত, মুক্ত স্বাধীন।
আমার স্বপ্নের ডানারা বাধাহীন, চপল, অধীর,
আমি ঝড় হয়ে কালো মেঘ ছেদে সূর্য দেখি।
আমি নারী-পাথরের মতো সর্বংসহা!
সব আঘাত জমা রেখে বুকে জমাই শক্তি,
আমি জানি ভাঙতে, আবার গড়তেও জানি,
আমি ছাড়া এ বিশ্ব অসুন্দর, প্রেমহী্ন রুক্ষ অবনী।






অজ্ঞাত এর জন্য একটি উত্তর রাখুন জবাব বাতিল