জনক আমার

ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই ছোট্ট নক্ষত্রলোক
তোমার অভাবেই আজ শূন্য হয়ে আছে, জনক

জানি, স্পর্শের উষ্ণতা,
কিংবা চোখের সীমান্তে তোমার আগমন
আর কোনদিন হবে না।
তবুও নিশি-দিন আমি খুঁজি তোমায়,
সবুজ-শ্যামল সোনার বাংলার প্রতিটি পাতায়,
হালচাষী কৃষকের কপালের ঘামে,
শ্রমিকের অন্ন-ভেজা হাতে,
মজুরের ক্লান্ত দেহের পাশে দাঁড়ানো সূর্যাস্তে।

খুঁজি তোমার কালো পাইপ
যেন ইতিহাসের ধোঁয়া উড়িয়ে দেওয়া এক অগ্নিশিখা,
খুঁজি তোমার কালো চশমা
যার আড়ালে লুকানো ছিলো হাজার বছরের স্বপ্ন,
খুঁজি সেই তর্জনী
যা একদিন দিগন্ত কাঁপিয়ে দিয়েছিলো মুক্তির ঘোষণা হয়ে।

জনক আমার!
তুমি এখনো আমার কাছে নদীর মতো প্রবাহমান
জাগ্রত নিশিদিন,
বাউলের একতারা-সুরে,
তরুণ কবির দীপ্ত পংক্তিতে,
অথবা নিমগ্ন শিল্পীর তুলিতে ফুটে ওঠা রঙিন ক্যানভাসে।

তুমি আছো
দক্ষ চিত্রগ্রাহকের সেলুলয়েডে বন্দী,
আছো জনতার কণ্ঠে, শপথে, স্বপ্নে।

তাই আজও
আমি দেখি তোমায় প্রতিনিয়ত,
হে বঙ্গবন্ধু, হে জাতির জনক
তুমি আছো, থাকবে,
বাংলার আকাশে চিরকাল।


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

One response to “ফয়জুর রহমান ফয়েজ”

md amanat ullah manik এর জন্য একটি উত্তর রাখুন জবাব বাতিল

Trending