১৫ই আগস্টঃ অগ্নিশপথ
পঁচাত্তরের সেই নিশ্ছিদ্র কালো রাত
সেই রাতে নিভে গেলো স্বাধীনতার প্রদীপ,
তাঁরারা হারিয়েছিলো কৃষ্ণপক্ষের অধরে ,
আর চাঁদ, মুখ ঢেকেছিলো বন্ধ্যা অন্ধকারে ।
সেদিন থেমে গিয়েছিল
স্বাধীনতার অগ্নিশিখার জ্বলজ্বলে আলো,
স্থবির হয়েছিল পদ্মা-মেঘনার উদ্দাম ঢেউ
শকুনেরা ছিড়ে খেলো বাংলার হৃদপিণ্ড।
বঙ্গবন্ধু, তুমি ছিলে মাটি আর মানুষের
অদম্য আলোকস্তম্ভ, যার ছায়ায় সাত কোটি প্রাণ
খুঁজেছিল মুক্তির আকাশ।
তোমার বজ্রকন্ঠে জেগেছিল ধানক্ষেত, নদী, বাতাস
আর পরাধীনতার শেকল ভেঙে হয়েছিলো চূর্ণবিচূর্ণ
তোমার স্বপ্নে জেগে উঠেছিলো
মুক্তিকামী সাত কোটি বাঙালির প্রাণ।
স্বাধীকারের বীজ বুনেছিলে তুমি,
কোটী কোটী হৃদয়ে জ্বেলেছিলে দ্রোহের আগুন।
বাংলার আকাশ বাতাসে ছিলো একটি নাম-
একটি বীরদর্পে বিগলিত নাম, শেখ মুজিবুর রহমান।
১৫ই আগস্ট, সেই ভোর রাতে
৩২ নম্বরের সিঁড়ি বেয়ে নেমিছিলো রক্তনদী,
বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল সূর্যবুকে নিয়ে
নেকড়েদের থাবায় লুটিয়ে পড়েছিলো স্বাধীন পতাকা।
আজ, ১৫ই আগস্ট,
আমরা শোকের নয়, অগ্নিশপথের মশাল হাতে দাঁড়াই,
কারণ তোমার মৃত্যু হয়নি,
তুমি বেঁচে আছো প্রতিটি সংগ্রামের শ্লোগানে,
প্রতিটি কৃষকের কপালের স্বপ্নময় ঘামে,
প্রতিটি মুক্ত কণ্ঠের অগ্নিঝরা উসার বিশ্বাসে।
তোমার একটি ভাষণ আজ বিশ্ব ইতিহাস!
তোমার এরিনমুরের ধোঁয়া আজো ছড়ায়-
অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সুবাতাস হয়ে।
তুমি আজো আছো কোটি বাংগালীর হৃদপটে।
আজ এইদিনে আর শোক নয়, কোন ক্লেদ নয়,
শোককে করেছি অদম্য শক্তি, আসুক যতই ঝড়,
যতদিন রবে এই বাংলা, বাংগালী অয়োময়,
ততদিন রবে চিরঞ্জীব বংগবন্ধু! অম্লান, অক্ষয়!






md amanat ullah manik এর জন্য একটি উত্তর রাখুন জবাব বাতিল