তবুও ফিরে এসো

আখ পেষার যন্ত্রটা শেষবার শুষে নিতেই
আখের দেহটা কেঁপে কেঁপে উঠলো,
যন্ত্রটা ক্র্যাক ক্র্যাক আওয়াজ তুলে
দানবের হাসি থামিয়ে দিলো;
সঙ্গে সঙ্গে কয়েকশো মাছির মহোৎসবের আনন্দে
পুরো বাজার সরগরম —

কেউ যে প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষ্য ছিলো
এ কথা সে জানতো না

মিশকালো মেঘ সাইকেল
প্যাডেল ঘোরাতে ঘোরাতে বাড়ি ফিরতো,
চটি খুলতেই বেরিয়ে পড়তো চৈত্রের ফুটিফাটা মাঠের মতো শীতার্ত দুই পায়ের পাতা।
কেউ রাখেনি গামলায় ঈষদুষ্ণ মমতা,
নরম মলিন স্নেহার্দ্রে বোনা গামছা

কেউ যে অব্যক্ত চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে,
সে জানতো না

এইবার সে বুকের ধুকপুকানিকে
নিজেই মেলে দিয়েছে খোলা জানালার পাশে
পিঁপড়ে গুলো নেমে যাচ্ছে নুলিয়ার দেহ ছেড়ে
মেঘ ঘুমিয়ে পড়েছে কালো চুলের অন্ধকারে…
কিছু তারা ছায়া মেলে ধরেছে তার রাত পোশাকে

কেউ যে এতক্ষণ পরে তার খাতাটা বন্ধ করলো,
সে জানলোই না
ভোর হওয়ার আগেই প্রত্যক্ষদর্শী
তার দরজায় লিখে রেখে আসতো, দুগ্গা দুগ্গা…


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

“জয়তী দাস” এ একটি মন্তব্য

  1. খুবই সুন্দর লিখেছেন কবি। কবিকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। লিখতে থাকুন।

    মণীষ চক্রবর্তী

অজ্ঞাত এর জন্য একটি উত্তর রাখুন জবাব বাতিল

Trending