পাপ পুণ্য
পাপ বলে পুণ্য তুমি কোথায় থাকো?
দহন জলের পদ্ম বিলে একলা ভাসো!
কাঠ গোলাপের রং সাদাটে, গন্ধে মাতাল;
নীল জলেদের পদ্যে তুমি একলা কাঁদো!
কৃষ্ণচূড়া লাল হয়ে যায়, শালিখ পাখির কলরবে
গ্রীষ্ম হেসে উজান ভুলায়,
আর হালকা হাসে তোমার ঠোঁটে!
মধ্য রাতে তন্দ্রা ভেঙে হঠাৎ জাগো!
জেগে দেখো পাশেই টেবিল
কাঁচের গ্লাসে একটুকু জল;
যা কিনা তৃষ্ণা জাগা; এই প্রহরের প্রথম দাবী!
কাঁচের জগে একটুখানি স্বচ্ছ পানি।
আর পানির ধারায় ঘুরছো তুমি অহর্নিশি!
ঘোর লাগানো এই প্রহরে তাকিয়ে দেখো,
শহর জুড়ে বৃত্তরা সব ত্রিভুজ হয়ে আমার ঘরে
চাঁদের হাঁটে হালকা দোলে ।
আর শূন্য পথের ক্লান্তি ভুলে লালন হয়ে গানের তালে
গদ্য লেখে।
প্রবন্ধরা তীক্ষ্ণ স্বরে কাব্য বলে সুর তুলে যায়
আর বলে যায় নতুন ধারায় এলাম আমি গ্রহণ করো।
সুরের ধারা নেই এখন আর নেই কোথাও।
ছন্দ ছিলো চর্যাপদে; এখন আমি প্রবন্ধতে
সুর খুঁজে নেই নিজের মতো;
আর রম্যে জীবন ভরিয়ে তুলি, বিদ্রোহকে ছন্দে গাঁথি,
দুর্জনকে নায়ক ভাবি, ভ্রান্ত জীবন আসল ভেবে
বেঁচে থাকি।
শত্রু আমি এই সমাজের, রীতিনীতির ধ্বংস আমি;
পারো! আমায় গ্রহণ করো!






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান