অশ্রুত দেবভাষা
নিশুতি রাতে বুকের ভেতর বাঁশি কাঁদে নিরন্তর
তোমার হৃদয় কি তেমনি কাঁদে রাতের প্রহর ?
চেয়ে দেখো,যুগল নক্ষত্র আবেগঘন জ্বলজ্বল
আঙুল চালাও চুলে,হৃৎপিণ্ড ছুঁয়ে গুচ্ছ ফুল।
সবগুলি বাতি বন্ধ করে অন্ধকার রাত
জোছনা ছেনে মুঠো মুঠো রুপোলি স্রোত
রাতের ঔরসে প্রেম দাবানল আলো ঝলমল
শেষ দেখা ষোড়সী কুমারী উচ্ছল ছলছল।
দেখা হলে জমাকৃত ভালোবাসা শতগুণ
মুহূর্তগুলো বেগুনী অজি বৃক্ষ হেরিটেজ
এবার হিসেবের খাতা দলিল দস্তাবেজ
যবনিকায় বুঝে নেবো সুদকষার সব ঋণ।
তারপর যদি হয় অগাধ নির্বাসন আন্দামান
শত শত আলোকবর্ষ মিল্কিওয়ের ঘূর্ণি যেমন
বিরহ পাঠে রোহিণী সেরে নেয় অপূর্ণ স্নান
অনুভূতির ঘাটে বাটে প্রেম প্রাণ অপ্রাণ।
ব্যথিত মহিমায় ভালোবাসার রঙ পরিপূর্ণ
অশ্রুত নির্মল দেবভাষা মৌনতায় নিমগ্ন।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান