বিতর্কিত কুহেলিকা
কামরুন নাহার
শব্দ থেকে শব্দ তুলে এনে যে পদ্য লিখি
তা ভাষার দৈন্যে গদ্য হয়ে যায়;
সুর, ছন্দ ছাড়া এক প্রবন্ধে রূপ নেয়;
আধুনিক কাব্যে তাকে স্থান দিয়ে স্বমহিমায় বলে যাই
ইহাই কাব্য, আধুনিক কাব্য;
একবিংশ শতাব্দীর সুরহীন, ছন্দহীন, কংক্রিট কাব্য!
আঁচড়ে আঁচড়ে ভাষা যখন দগদগে ঘা!
ঘায়ে হালকা নিমক ছিটিয়ে সে নিজেই বলে যায়
নিমক অর্থ জানিস?
তোরা শালা ভাষার কি বুঝবি!
কত ভাষা ঘুরে তবে বঙ্গে এলাম
তোরা কিনা নিমকহারাম বলে গাল দিস!
আর্য থেকে পালি, পালি থেকে প্রাকৃত,
প্রাকৃত থেকে বাঙলায় এলাম।
রূপান্তরের ধর্মেই তো আমি বাঁধা;
আলো অন্ধকারের এই সন্ধ্যাভাষাই তো আমার ভাষা!
সন্ধ্যার এই কুহেলিকা পঙক্তিতে পঙক্তিতে ঠাঁসা;
জন্মই তো আমার এক বিজন্ম বোহেমিয়ান উপকথা!






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান