জনপদে শ্লেষা জীবন

ক্ষয়ে যাওয়া বিকেল ঠারেঠোরে বুঝিয়ে যায় নিজের ছায়াকে অস্বীকার করার কৌশল। সেই দৃশ্যের ভেতর হাড়ের নৌকা ভাসে নীরব শঙ্খজলে। জ্বরগ্রস্ত নরম আর্তনাদে পাঁজরের ফাঁকে কুলকুচি সভ্যতা আঁচিয়ে নিয়ে আমি বিনম্র মায়া জোৎস্নার পকেট বানাই। আরো অতলে হিরণ্ময় সন্ধ্যানে পিশাচের জিভে যে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে- তার সাথে ঈশ্বরের সম্পর্ক আলাদা। সম্পর্কের আড়ালে থাকে এক চোখ ও চাবুক। ওদের কাগুজে ঘোড়ার খটখট শব্দ বাতাসকে বশ মানায়, আর ঈশ্বরের মাতাল বিমানের গরগর শব্দে নদী না হয়ে ওঠে কখনো মুগ্ধরাত্রি।

তোমার কাঁধ ছুঁয়ে থাকা ধুলোবালির বাদামি গালিচা বিভাজনের ভেতর দুধসাদা দ্রুপদ গোপন কম্পন মুড়িয়ে নিয়ে, উল্টো শ্বাস নিতে নিতে পতনের বিরুদ্ধে লড়ে যাই। আলতামাস ফুলের জন্য জনপদের ঘোড়ামুখো সব গাছ ছাটিয়ে ছুটিয়ে লাগিয়ে দিয়েছি। এখনতো আমার থুতুর ভিতর মারাত্মক শ্লেষা জীবন।

তুমি আর কিছু জানতে চেয়ো না…


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Trending