শঙ্কর বসু

লুকিয়ে ভালবাসবো, চাঁদের গায়ে লাগিয়ে চাঁদ
গোলাপ-কাঁটা চাঁদ-গোলাপি জ্যোৎস্না-অবসাদ
কাটবে ধীরে, ধীর-সমীরে …
সন্ধ্যারাগে…
তপ্ত মা-নিষাদ …
শাপ কাটবে, শঙ্খরবে, শান্ত শিবের স্তবে …

শোন রে, বিষাদিনী,
এই দীনদুনিয়ায়, ভবে
তোকে,
ডানহাতের-এই তালুর মতো চিনি …

একলাটে, একরোখা
তুই আমার অ-পর, দিলখোলা, আর, আমার মতোই ভুবনভোলা, বোকা —

বিষাদ-উপাদানে বিষের জারণ
তোর, কারণ-শরীর জুড়ে …
তাই, মনের কথা মুখে আনতে আশ্লেষ-নিরত ঝিম্-দুপুরে
ঠোঁটের কাছে ঠোঁট এনে তোর বলতে লাগে — ‘রাখো…’

আমি, কি আর বলি ! ‘থাকো —‘
… রাত্রি জুড়ে, ধাত্রী হয়ে
করতে পারলে ‘গরল-জ্বালা’ ধারণ !

— সে নীলকণ্ঠ-জন্মকথা — মীরাজন্মকথা — লোকের, ফিরবে মুখে মুখে —
উচাটনের হাওয়ায় হাড়ে – বুকে –
কে কার শোনে বারণ !

যা রাখার, মাটি রাখে …
জ্যোৎস্না-ব্যাকুল ঝাঁঝ-কোকিলের মিলনতৃষ্ণা পাছে
পাঁচকান হয় — সঙ্কেতে সে ডাকে —

নিকটতম স্পন্দনের তীব্রতম কাছে
কে হায় জেগে থাকে !

বুক পাতা, আয়, এ-ছাইচাপা আঁচে,
আজ,
সোনার ফুল্কি ওড়ে !
সোনাঝুরির হাওয়া, বেফাঁস,
আদিগন্ত প্যানোরমায় পাক্ খায়, আর,
তোকে-আমাকে (বগলদাবা) জাপ্টে ধ’রে, ঘোরে …

বাতুন – লুকোনো


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Trending