চিঠি

প্রিয়তমাষু সুভাষিনী,
“পানপাতা”,
প্রকৃতির নন্দনে চারিদিকে তোমার পদচারণা খুঁজে বেড়াচ্ছি।
কিন্তু না! এই অন্তরীক্ষে কোথাও তোমার গন্ধ পাচ্ছি না।
আমার হৃদয় যক্ষ হয়ে মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে,
কখন তুমি মেঘ হয়ে আছড়ে পরবে আমার বুকে।
পানপাতা !
তোমার নূপুরের ধ্বনি রনিত হয় বিশ্ব চরাচরে,
তোমার শাড়ির আঁচল পাখা মেলে ওড়ে বাতাসে,
হরিণ নয়না চোখের চাউনি পরিলক্ষিত হয় আকাশে,
এতো কাছে থেকে তবুও তুমি অধরা,পানপাতা।
শরতে শিউলি,কাশ যখন আনন্দে মাতোয়ারা,
তখন তুমি কাঞ্চন হয়ে শ্বেত পোষাকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছো,
আমারও তো ইচ্ছে করে তোমাকে কৃষ্ঞচূড়ার ঐ আগুন রঙে দেখতে।
মাথায় দেবে এক গুচ্ছ লাল পলাশ,
হাতে থাকবে পোড়া মাটির অলঙ্কার,
ঠোঁটে লাগাবে উজ্জ্বল পেয়াজী রঙ,
কপালে একটা কালো টিপ।
তোমাকে ভালোবাসি পানপাতা।
তুমি কাছে থাকলে আমি রঙ মশালের আগুন মেখে সূর্য হয়ে যেতে পারি।
তুমি সঙ্গে থাকলে চাঁদের জ্যোৎস্নার পালকিতে ভেসে যেতে পারি।
পানপাতা, তুমি কী সেটা আজো বুঝতে পারলে না !
ভালোবাসার বসন্তে আজো আমার হৃদয় ফুটিফাটা।
তোমাকে না পাওয়ার যন্ত্রনায় গোলাপের কাঁটায় আমি রক্তাক্ত।
শুন্য এ হৃদয়ের দুয়ারে একবার এসে ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে দাও।
খুবলে বের করে নাও কলিজাটা।
রক্তে লেখা থাক আমার নাম।
আমি শতদল হয়ে তোমার বুকের সরোবরেই সারাজীবন বেঁচে থাকতে চাই।
ভালো থেকো- ইতি- তোমার ভালোবাসা "আম্রমুকুল"।


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Trending