যিনি ঈশ্বর তিনি বিভক্ত ঢেউয়ের মতোন
আমি কবিতার ডায়োজিনিজঢেউ— অন্তরের স্বর্গীয় ভাবধারা
আমি ছাড়া আর কোনো পবিত্রতা নেই
কবিতা ছাড়া আর কোনো বিশ্বাস নেই
আমি সময়ের বদ্ধাঞ্জলিতে ঈশ্বরকে লালনপালন করি
ধারণাতীত নিজেকে ছাড়িয়ে এক বুর্জোয়া আদমঈশ্বর!
শান্ত—অর্ধ-দিবালোকে পৃথিবীর সমান মানুষ
বেদান্তের পরমাত্মা— সীমার কাছে নতজানু
যে ঈশ্বর বাস্তবতা হারিয়ে ফেলে ফিলিপ লারকিন কিংবা
হুমায়ূন আজাদের সাথে তর্কাতীত হয় মানুষই সেখানে শিল্প
সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে বিশ্বাসঘাকতা করে— সে আমার ঈশ্বর না
যে ঈশ্বর মানুষ চেনে না— ধর্ম চেনে, সে আমার না
এই মহা অলৌকিক ঈশ্বরের আমার কোনো লোভ নেই
আমি ইন্দ্রিয়ে বাতাসের করতালি শুনতে পাই—
আমি শিল্পের উপাসক— আমার অধীনে কেউ নেই
কোনো স্বেচ্ছাচারিতাও নেই— আছে ঐকান্তিক উপলব্ধির বন্ধু নির্সগ!






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান