নক্ষত্রপুর অথবা অভিমানী ফাগুন
অথচ, কোনো পিছুটান না রেখে কী অনায়াসেই
চলে যায় শাওন কিংবা ফাগুন!
নির্জন করিডোরে মুখ গুঁজে পড়ে থাকে
ভাঁজখোলা ভাবনার হা-দিগন্ত সুখ…
উন্মুখ শাবক পরাগরেণু বসন্ত ছুঁয়ে গেলে
মার্জিত বুক ডুবে থাকে এক অন্তহীন টানে…
শামুক ধ্যানে!
দূরে… জলভরা দিঘির তীরে পানাফুলরঙা
ভেষজ মায়ায় ভরে ওঠে চিবুক…
আসবে না জেনেও, লাজনম্র অপেক্ষারা
দাঁড়িয়ে অনন্তের অন্বেষণে…
উটের গ্রীবার মতো জমাট নীরবতার থকথকে হাহাকার,
বৈতালিক তর্জমায় শ্রাবণের ধারায়
গলে গলে যায়–সমূহ বেদনাভার!
কণা কণা বৃষ্টিফোঁটার মতো তসবিহ-দানার
অনুবাদ খোঁজে ক্লান্তিভেজা দুপুর…
অন্ধকারে খুলে যায় ঘোরলাগা ভোর,
নিহত বিকেল পেরিয়ে অবারিত সুদূর– দূরের নক্ষত্রপুর।
হর-ফাগুনে ফের বরষা নামে ঘনঘোর!
অথচ, বর্ষায় আসে না অহংকারী ফাগুন!






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান