অস্তিত্ব
নীরবতার আকাশে অসংখ্য নক্ষত্রফুল
ভালোবাসার দহন তখন ধোঁয়া ওঠা গরম কফির মগ
নারীর চারপাশ ঘিরে কোমলগন্ধা সন্ধ্যার ফুল
পাহাড়ী মেঘ আর তন্বী নারীর চোখে মুখে দিগন্তের হাসি
অতল ঘুম ভেঙে জাগে কলকল হাঁসের নদী
কে যেনো সব সীমারেখা অতিক্রম করে কাছে আসে
কানে কানে ফিসফিস—ভালোবাসি ভালোবাসি
নারী তখন কিশোরী মন উচাটন ভীষণ চঞ্চল
হাতে থাকা কাজ খসে পড়ে কিশোরী স্থির হয়ে বসে
ভাবে— এ কেমন ব্যথা ব্যথা উত্তাপ ভালোবাসা
সারাদিন আচ্ছন্ন রাখে সবটুকু জুড়ে কিসের আশা !
স্থবির বধির চোখ কান হৃদপিণ্ড উৎসুক কাঁপন চনমন
ভাসতে থাকে নারী নিজের ভেতর জাগে সোমত্ত তরুণী
ভোরের পাখির মতো কে যেনো ডাকে,ঘুম ভাঙায়
হৃদয়ের ঢাকনা খুলে স্বপ্নের কচি লতা ডালপালা ছড়ায়
তরতর বেয়ে মাচার দিকে ছুটে তন্বী বাহু
কিন্তু ওখানে নিজেরই দেহের খাঁচা মাচা কোথায়!
বেজে ওঠে কালের বিধুর বিহগল স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর
তবু অবুঝ ব্যঞ্জনা অদৃশ্য দুন্দুভি খরস্রোতা নদীর কলস্বর
লাল জবা খোঁপায় গুঁজে প্রহর গুণে প্রতীক্ষায়
বিশ্বাস হতে চায় না নিজেই শিল্পের অপূর্ব আধার
সীমান্তের ভেদরেখা দিগন্তে লুপ্ত অবশিষ্ট সুপ্ত ভালোবাসা
অস্তিত্বের অহংকারে নক্ষত্র হাঁটে জ্বলজ্বলে দ্যুতি
ঈশ্বর তর্জনী-চেয়ে দেখো ব্ল্যাকহোল আকাশের সীমানায়
পেছন ঘুরে দাঁড়ায় নারী সম্মুখের আয়নায়
ফিরে আসে অতিক্রান্ত কাল থেকে বাস্তব দিনান্ত সন্ধ্যায়
জীবন উন্মোচনের সূচনা কুহক মায়া ছলনা
অস্তিত্বের বসন্তরূপ তীব্র আনন্দ তীক্ষ্ণ বোধের বেদনা





এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান