মে দিবস ও নারী
১লা মেー
পুঁজিবাদী সমাজে শ্রমিকদের শোষণ পীড়ন
থেকে মুক্তির ইতিহাস,
সাক্ষী ছিল শিকাগো হেমার্কেট
সাক্ষী ছিল ১৮৮৬ এর বুকের জমিন
সাক্ষী ছিলো শিল্প বিপ্লবের অন্দরমহল।
দৈনিক দশ বা চৌদ্দ ঘন্টা শ্রমের প্রেক্ষিতেー
আট ঘণ্টা কাজের হিসাব ছিলো
অধিকারের দাবি,
রক্তঝরা ত্যাগের বিনিময়ে
নিভেছে প্রতিবাদের ঝড়,
পুঁজিবাদের আওয়াজ অপেক্ষা শ্রমিকের
নিঃশব্দতা হয়েছে অধিক শক্তিশালী।
কিন্তু, পৃথিবীর কোনো সংবিধানে
দুনিয়ার কোনো আন্দোলনে
নারীর শ্রমঘন্টার তালিকা আছে কি?
নারীর শ্রম মাপার কোনো নির্দিষ্ট নিক্তি আবিষ্কৃত
হয়েছে কি?
হে নারী, তুমি শান্তি!
তাই শত পরিশ্রমের, কষ্টের ডালাকে
গ্রহণ কর নির্দ্বিধায়
নাগর দোলার মতো সংসার নগরে
ঘূর্ণিপাক খাও চক্রাকারে।
তীব্র শীতে ফাটে ঠোঁট
পায়ের গোড়ালি
ঘামে ভিজে দেহের পোশাক
শরীর হয় দুর্বল, সংকুচিত হয় বুকের পাঁজর, দেহের চামড়া।
ক্লান্তিতে নুয়ে পর নিজের কাছেই,
একটা যৌবন শেষ হয়
গৃহস্থের ভাঙা আয়নায়।
হে নারী!
বলোতো, কত ঘন্টা কাজ করলে মুক্তি মিলবে তোমার?
কত ঘন্টা শ্রমের বিনিয়োগ হলে কেউ বলবে
অনেক বেশি পরিশ্রম তোমারー
জীবন আঙিনায়!
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান