এই পদ্মপুকুর, এই বিমর্ষতা
পদ্মপাতার শরীর দেখে চমকে উঠি
ঢলঢলে সেই সবুজ পাতার চিহ্নও নেই
তার বদলে পোকায় খাওয়া কালচে রঙের
শিরা এবং উপশিরার কাঠামো এক
স্থবির হয়ে বসে আছে
দাঁড়িয়ে থাকা পত্রদণ্ডের মাথার কাছে,
অপেক্ষাতে –
শ্যাওলা ভরা জলের গায়ে ঢলে পড়ার।
শৈশব আমার চোখের পাতায়, নষ্টালজিক
কচি থেকে গাঢ় সবুজ পাতা গুলির ঘাড় দোলানো
বাতাস থেকে ফুলের গন্ধ, জলের গন্ধ টেনে নেওয়া, বুকটি ভরে-
চোখের কাছে লাল নীল আর শ্বেত পদ্মের
তাকিয়ে থাকা, কী অভিজাত চাহনী তার
সেই ফুলেরাও বিমর্ষ আজ,
দুই একজন ফুটে আছেন ঝরে পড়ার অপেক্ষাতে…
আমার দেশটি এই পুকুরের
জলের গায়ে ধ্বংস প্রাপ্ত পদ্মপাতার মতোই তো আজ
বড় ধূসর, বিমর্ষতায় চুপচাপ তাঁর দাঁড়িয়ে থাকা।






এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান