নামাঙ্কিত মোহর
নিজের রূপে আগুনকে জ্বলতে দেখে শীতার্ত পুষ্পের মনে পড়ে যায় একটি চুম্বনের কথা। আলো ও আধার মিশেল ক্ষিপ্রতা। যেন একটি ঝড়। সে ঝড়ে, তার ধুলিতে মিলিয়ে গেছে দিগন্তের কাছাকাছি আকাশের রঙের সমস্ত ধারণা। বিশাল মৃত্যকূপের ঈশারার মতন ডেকে গেছে তার ঠোঁটের পদ্ম। রোম জুড়ে শিরীষ। এইসব ভোগান্তি ভালো লাগে।
আমার কিন্নরে হুহু হয়ে বাজতে থাকো
আমার চণ্ডালে দ্রিম!
যে কথাদের মুদ্রায় বদলে গেছে বাতাসের দিক ও গতিবেগ, সে বাতাসে এক চন্দ্রমল্লিকা ফুটে আছে। তার ভায়োলেটে তুমি কী ফোটন? একদিন দ্রাক্ষালতার মতন আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে নিলে অনুবাদ হবে গোপন, সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ আর বিবিধ নামান্তর। তোমার মহা বিষুবে কার আমৃত্যু ঘূর্ণন।
মাস্তুলে কান পেতে থাকি, কী নিষ্ঠায় সে ওড়ে যুগপৎ, সেখানে কার নামাঙ্কিত মোহর! সেই চোখের দীর্ঘ পল্লবের মতো মেঘ জমে থাকে কোন দেশে, ঘনত্বে ফিঁকে হয়ে আসে চন্দ্রালোক!
কার পল্লবের ছায়া হয়ে আজ গালে পড়ে থাকে ঘুম!






Leave a Reply