চাবি

সাবানের গায়ে ছাপ বসিয়ে আমার কিছু চাবির
হুবহু প্রতিকৃতি উদ্ভাবন করতে গেছে কেউ কেউ

আত্মসাৎকৃত ডিপোজিটের সদ্ব্যবহার দেখাতে
পূর্বে বহুবার তারা পাড়াগ্রামের মানুষের মতো
পোশাক পরার প্রশিক্ষণ-আয়োজন করেছে
তারা বিকলাঙ্গ স্নায়ু থেকে গোপনে সৃষ্ট চাবি এনে
খুলতে চেয়েছে আমার সমূহ সিন্দুক

উদগ্রীব হয়ে কল্পিত কাগজের নোট ও ধাতব অলংকার
খুঁজতে গিয়ে চার-দেয়ালের ভেতর দাঁড়িয়েই তারা
জানালায় উঁকি দিয়ে দ্যাখে-
অবারিত দিগন্ত মাঝে শস্যে সঞ্চারিত আমুন্ড-আমাকে

উন্মুক্ত সিন্দুকে মুকুলিত অরণ্য, মেঘের বিচরণ, স্রোত ও
বালুময় তীর, চাঁদমাখা মাঠ, বাঁশবনের বিনম্র উচ্চতা…
এসব দেখে ওরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে-
নিয়মতান্ত্রিক কোনো চাবিগুচ্ছে খোলা যায় না এ সিন্দুক

আকাশের নিচে দাঁড়াতে গেলে যে চাবি দরকার
একথা শুনে ইতোমধ্যে ওরা নতুন করে বিশেষ ধরণের
চাবি তৈরির প্রজেক্ট হাতে নিতে থাকে

আর নিমগ্নতায় মেঘ নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে
একসময় দেখি- আমারই অজান্তে প্রত্যুষের কোমল-
সুঘ্রাণময় রোদের দরজা খুলে যাচ্ছে আপনা-আপনি


Discover more from Shikor

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

2 responses to “এলিজা খাতুন”


  1. কবিতাটি পড়ে ভালো লেগেছে

Leave a Reply

Trending

Discover more from শিকড় (Shikor)

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading