অর্বাচীনের রবীন্দ্র ভাবনা
এবং
ইদানীং
দিন দিন রবীন্দ্রনাথ বুড়ো হয়ে যাচ্ছে
কি ভরসাটাই করেছিলাম তাঁর ওপর!
জীবনে
যে কোনো অবস্থায় ই প্রেম ধরা দিক না কেন
রবি ঠাকুর তো আছেন!
কিছু শিখিয়ে টিখিয়ে দেবেন
খিস্তিও হয়ে যাবে রবীন্দ্রনাথের বাণী!
সিগারেট ফুঁকবো তাঁর মতো,
আরেহ্
কী যা তা বলি
উনি কি সিগারেট খেতেন?
নাহ্
ঠাকুর মানুষ, অভিজাত,
সিগারেটের বদলে পাইপ খেতেন
বৃটিশ স্টাইল।
আহা প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ
আপনার কাছ থেকে প্রেম শিখবো বলে
গীতবিতানে হুমড়ি খেয়ে পড়ি!
আপনি কি জিন্স পরেছেন আমার মতো?
ফ্যাকাসে, তাপ্পি মারা?
শিশুর দুধ দাঁত পড়া শুরু হলে
ফোকলা মুখ যেমন
ঠিক তেমনই দু একটা বোতাম পড়ে গিয়ে
আমারও ফোকলা মার্কা শার্ট।
ভাবুন তো, এ অবস্থায় আপনি কি গান লিখতে পারতেন?
রবীন্দ্র সঙ্গীত!
আমি কিন্তু পারি।
তিন তিনবার মুচির সফল সেলাইয়ের পরে ও
এই বর্ষা টিকে যাওয়া চটি জোড়া পরে
আমি ও লিখে যাচ্ছি দেদার
রবীন্দ্র সঙ্গীত!
কিন্তু এইসব রবীন্দ্র সঙ্গীত আমার লেখা, মর্ডান স্টাইল।
আপনার ওপর ভরসা করে কী যে বোকামি করলাম!
এতো দাঁত ভাঙা উপমার কি দরকার ছিলো?
যত্তসব!
বৃদ্ধ রবি কবি,
আপনি আমার রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনুন,
” আমার কইলজার ভিত্রে পলায়ছিলা
দেখমু আমি ক্যামনে তরে দেখমু আমি ক্যাম্নে।”






Leave a Reply