খসড়া
পল্লবের ভারে ন্যুব্জ হয়ে থাকা জানে
ঠিকঠাক ও স্থির তাকাতে হলে
অতো ডাগর বা প্রশস্থ হবার দরকার ছিল না
চোখের…
নীরবতার ভঙ্গিমা ব্যখ্যা করতে
ভাষার প্রয়োজন নেই
রোদ ঝলমল আকাশ-
বিসম্বাদী মেঘ, গুড়ো বৃষ্টি
উৎসবের কোলাহল পেরিয়ে অন্ধকার
অথবা মোটা ফ্রেম পেরিয়ে যে দৃষ্টি
তীক্ষ্ম কিন্তু নির্বাক!
নিস্পৃহতা তোমাকে দ্যাখে
শোর নেই বলে গল্পটা বোঝা যায় না
হাতছানি বারণ, বানান ভুল
অসুখের কারণ অথবা অন্যান্য যা কিছু।
ঋজু হয়ে লিখে যাওয়া হাত
আঙুল বা বিজ্ঞাপনের মাইক
সহসা ফুঁস করে ওঠা দীর্ঘশ্বাস
বুকপকেটে লুকিয়ে রাখা ছেড়া লেবেল;
সকলই বলছে, এ কোনো সুখের সময় নয়।
উজান পাড়ায় তবে প্রত্ন হয়ে থাকো
বিষবৃক্ষের বাগানে জল দাও
হামের পর ধেয়ে আসা জলাতঙ্ক নিয়ে ভেবোনা
ভাঙ্গা সাঁকোর পাশে দুর্মূল্যের নোটিশ ঝোলাও-
শেষমেষ বলে দিও
অমন যে চোখ, তার তারার ঝিলিক থেকে
এক ঝাঁক জোনাকি ঘুরে বেড়ায় ঘরে, চৌকাঠে।
এক ফার্লং স্বর্গ নয়, বা নরকও নয়
মানুষ মরে গেলেও প্রেমের কথা বলে বলে
জীবনভর উপঢৌকনের পাহারাদারের মতন
শীত, বর্ষা বা তাপে দাঁড়িয়ে থাকবো।






Leave a Reply