বানভট্টের মেয়ে
এক বুকশেলফের পেছন, কিছু তো রহস্য রেখেছে গল্পের টেক্সচার, গড়ন মোহন ইচ্ছে আনন্দ ইত্যাদি রাখালের বাঁশি হয়তো করুণ করে লেখা যাবে গাবের গন্ধশীতল চুল, রোদ অন্তরাল খোঁপা বানভট্টের মেয়ে, অরুণের দীপ্তি চমৎকার সংস্কৃতে যেমন লিখেছে - আদিমকোষের প্রতিটা আর্তনাদ, বয়ে নিতে হবে ডিএনএ তে কোথাও তো যাবো, কিছু নূতন - হয়তো থেমে যেতে ইচ্ছে হয় এক আইল্যান্ডারে গ্রহণসমেত এক উজান যেনো কোনো ভুল হয়েছে শরীরের কাছে এক হাত আদর মনের কাছে বামের বয়াম পূর্ণবসুধা এবং প্রাচীন এক পরত ঘুমহৃদস্পন্দন দুঃখ যখন খারাপ হচ্ছে মন সব অর্বাচীনের স্নেহ ভাগ হোক হোক মমতাও "আয় চাঁদমামা " সাধুশ্লোক নয় দুঃখ হয়, সবার দুঃখ হয় - মমতার মতো কিছু নেই নেই স্নেহের মতো মনের প্রতিটি শরীর সে কাঁদবে যখন, যখন শরীরের মন যার প্রয়োজন হবে অল্প, যার প্রয়োজন হবে প্রচুর ভালোবাসা নেবে, খুব খুব চোখে জল এসে বসবে না যেনো সব ভেঙে যাবেই যাক যাক, শরীর ভেঙে যাক, মন পড়ে থাক হোক চতুর্দিক একেকটা ধ্বংসের মতো দুর্বোধ্য এবং অন্যায় হোক যার প্রয়োজন হবে অল্প, যার প্রয়োজন হবে খুব ভালোবাসা নেবে চোখে জল এসে বসবে না পা দুটি থামবে না, দুর্বোধ্য এবং অন্যায় - হলে হোক।






Leave a Reply