অনাগত অক্ষরের দিন
যে মেঘ এখনো জমেনি আকাশে— তারই ছায়ায়
বসে ভাবি, কত দূরে মহাকালের ছাপাখানা!
যে নদী দ্যাখেনি কেউ, তৃষাতুর কোনো মাঝিও নয়
তার অদেখা ঢেউয়ের কান্না কতখানি সার্থক,
কতটা সে নতজানু, বিষণ্ন আর মৌন-মধুর!
স্তব্ধতা থমকে থাকে নিঝুম প্রহরে,
সন্ধ্যা নামার মুখে, টিমটিমে প্রদীপের পাশে;
অপ্রকাশিত আঁধারের গায়ে কার ছায়া ডানা মেলে?
ক্লান্ত ব্যথা কীভাবে নতুন কুঁড়ির সুবাস হয়ে ফোটে?
যে মৌনতা কোনোদিন ভাঙা হয়নি— তা প্রকাশের লোভে
দেখি, লতাটি জড়িয়ে ধরেছে একাকী মহীরুহকে।
বাইরে হিমেল হাওয়া— মৃদু শিস দিয়ে
স্মৃতির পাতায় পাতায় শূন্যতা এঁকে দিয়ে যায়,
কুয়াশার দিন নেমে আসে…






Leave a Reply