মানসপ্রতিমা
তুমি যখন চিহ্নহীন ছিলে ভূ-ধরায়
তখন আমি ছিলাম তোমার
একমাত্র ছায়াসঙ্গী,
মশগুল ছিলাম দু'জন ভালোবাসায়।
একদিন, ভাস্কর আলোয় তোমাকে
দেখার সাধ হল খুব!
বেরিয়ে পড়লাম পথেー
উত্তাল জলধির গভীরে ডুব দিয়ে
তুলে আনলাম একমুঠো আয়ু।
আত্মার নির্যাসে কাদামাটি ছেনে
দু'শতাব্দী রাত জেগেজেগে
আঙুলের ডগায় দেহ-মুখ ছুঁয়ে
নির্মাণ হলো 'মানসপ্রতিমা',
পূর্ণতা পেলে তুমি!
তারপর...
কোনো এক মধ্যাহ্ন বেলায়ー
মধ্যাকাশে উদিত হলে আপন বিভাসে!
শরীর জুড়ে তোমার নক্ষত্র বিলাস।
স্নিগ্ধ তাপের বৈপরিত্যে মুহূর্তে পুড়ে গেল
আমার অধিকারের ডানা,
উড়াল পাখির পতিত দেহের একরত্তি
শব্দে কেঁপে গেল মাটির বুক।
অন্ধকার কুঠুরিতে ঠাঁই হলো আমার!
হঠাৎ তেলবিহীন চিরাগের নিভুনিভু শিখায়
চোখ তুলে দেখি 'আমার তুমি'
পুজোর বেদিতে সর্বজনীন!
Leave a Reply