তৃষ্ণা
দিনভর ভেবেছি তোমার কথা
তবু সন্ধে হলে কেন
ভেসে ওঠে লক্ষ লক্ষ
ধূসরিত চোখ, সর্বত্র
ভ্রাম্যমাণ আমার শরীরে,
আমি ক্লান্তিদীর্ন শিথিলতা নিয়ে
হেরে যাই,
আত্মসমর্পণ করি,
সারাদিনে জমা হওয়া তাবৎ
উত্তাপ জানি তোমার উপহার।
অথচ আগুন আছে ঐ চোখে,
প্রাগৈতিহাসিক পাথরের মতো জমে যাওয়া, থরে থরে,
গলানো সোনার মতো
ঢেউ তোলে যুদ্ধান্ধ পাঁজরে।
কুরুক্ষেত্র শেষ হলে
শুধু রয়ে যায় নারী হস্তিনানগরে,
লক্ষ উনোনর মতো অনির্বাণ
খিদে নিয়ে জেগে ওঠে,
সমবেত উপোসী নিশ্বাস
অস্তিত্বের সমগ্ৰ
ক্ষেত্রফল জুড়ে ঝড় তোলে,
আমার পৌরুষ শুধু তৃষ্ণা মেটাবে?
লালসার দাস হয়ে থেকে যাবে
ইতিহাস জুড়ে?
প্রেম নয় ?
প্রীতি নয়?
বন্ধুতা নয়?
চরাচর জুড়ে থাকা আগুন
নেভানো হবে একমাত্র কাজ?






Leave a Reply